Kerela Hindu Girl Killed
Bengal Liberty
হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম(Kerela Hindu Girl Killed) বিতর্কিত ছবি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেনের পরিচালনায় নির্মিত এই ছবিতে দেখানো হয়েছিল কীভাবে মগজধোলাইয়ের মাধ্যমে তরুণীদের ধর্মান্তরিত করে আইএসআইএস-এর মতো সন্ত্রাসী সংগঠনে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। বক্স অফিসে অত্যন্ত সফল সেই ছবির পর, নির্মাতা বিপুল শাহ এর দ্বিতীয় ভাগও নিয়ে আসেন। কিন্তু এবার সিনেমার সেই নির্মম চিত্রই যেন বাস্তবে ধরা দিল।

সিনেমার গল্প বাস্তবে(Kerela Hindu Girl Killed)
কেরালার ২১ বছর বয়সী মেডিকেল ছাত্রী সাভারিয়া বসন্তকে উজবেকিস্তানে তাঁরই এক সহপাঠী হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, সাভারিয়াকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল এবং অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। উজবেকিস্তানের কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে আটক করেছে এবং কেরালা পুলিশ একটি হত্যা মামলা নথিভুক্ত করেছে।

ঘটনার বিবরণ(Kerela Hindu Girl Killed)
বুখারা স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ছাত্রী সাভারিয়া বসন্ত এবং মালাপ্পুরমের বাসিন্দা তাঁর সহপাঠী সাদারুল আনামের মধ্যে বিবাদের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অনেকেরই অভিযোগ, সিনেমার গল্পের মতোই নির্দিষ্ট মতাদর্শ গ্রহণ বা মগজধোলাইয়ে রাজি না হওয়ার কারণেই সাভারিয়াকে প্রাণ দিতে হয়েছে।

এই বিষয়টি ঘিরেই এখন চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খুনের ঘটনার পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে। মৃতদেহ কেরালায় ফিরিয়ে আনার পর পরিবার দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করায়। আত্মীয়দের দাবি, ময়নাতদন্তে সাভারিয়ার শরীরে নির্যাতনের অসংখ্য চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরিবারের স্পষ্ট অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য হেনস্থা করছিল। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সরকারই তৎপর হয়েছে।
সরকারি প্রতিক্রিয়া(Kerela Hindu Girl Killed)
উজবেকিস্তানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ভুক্তভোগীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তদন্তের ওপর নজর রাখছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাস নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে। অন্যদিকে, কেরালার হরিপদ পুলিশ একটি এফআইআর দায়ের করেছে এবং কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে মামলার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে।
উত্তরের অপেক্ষায় কিছু প্রশ্ন(Kerela Hindu Girl Killed)
২১ বছরের এক ভবিষ্যৎ ডাক্তারের এই নির্মম মৃত্যুতে নানা প্রশ্ন দানা বাঁধছে। অভিযুক্ত সাদারুল আনামের বিরুদ্ধে আগে এ ধরনের কোনো অভিযোগ ছিল কি? প্রশাসন এই ঘটনার তদন্ত কতটুকু গুরুত্ব সহকারে করবে—তা নিয়েও সন্দিহান অনেকে। অতীতেও এমন অনেক ঘটনা ঘটলেও অভিযুক্তরা সাজা না পাওয়ায় অপরাধীরা বারবার সাহস পাচ্ছে বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ। এই ভয়াবহ ঘটনার বিচার কি আদৌ হবে? অভিযুক্ত কি তার প্রাপ্য শাস্তি পাবে? এখন দেশজুড়ে এটাই বড় প্রশ্ন।

