Bengal Liberty:
প্রতিবছরের মতো এবারও শহীদ দিবসের প্রস্তুতি দেখতে সভাস্থলে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২১ জুলাইয়ের আগের দিন প্রতিবছরই প্রস্তুতির তদারকি করতে যাওয়া তাঁর পুরোনো অভ্যাস। যদিও প্রতিবার যাঁরা তাঁর সঙ্গে থাকতেন, তাঁদের অনেকেই আজ আর নেই; এমনকি বদলে গিয়েছে সভাস্থলের ঠিকানাও। তা সত্ত্বেও নিজের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন নেত্রী।

২১ জুলাই পালন নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দড়িটানাটানির পর, অবশেষে বিড়লা তারামণ্ডলে শহীদ দিবস পালনের অনুমতি পেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। প্রায় আড়াই হাজার প্রতিনিধিকে নিয়ে সভা করবেন মমতার সতীর্থরা। তাই দুর্যোগ মাথায় নিয়েই সোমবার বিকেলে সভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বিড়লা তারামণ্ডলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কুণাল ঘোষ, দোলা সেনসহ বেশ কয়েকজন নেতৃত্ব।

২১ জুলাইয়ের আবেগ নাকি অস্তিত্ব? Mamata Banerjee
বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের ঠিক পাশে, ক্যাথিড্রাল রোডের পূর্ব দিকে তৈরি করা হয়েছে মূল মঞ্চ। প্রতিবারের মতো এবারও মঞ্চে কোনো শামিয়ানা ব্যবহার করা হয়নি—অর্থাৎ খোলা আকাশের নীচেই তৈরি হচ্ছে মঞ্চ। পাশাপাশি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া বড় বড় প্ল্যাকার্ড ও কাটআউট দিয়ে সাজানো হয়েছে চারপাশ।
কোন পথে এগোচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল Mamata Banerjee
উল্লেখ্য, প্রতিবছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা সভার আগের দিন থেকেই সভাস্থলে ভিড় জমাতেন। তবে এবার সেই চেনা চিত্রে কিছুটা ছন্দপতন ঘটেছে বলেই দাবি করছেন অভিজ্ঞ মহলের একাংশ।

আরও পড়ুনঃ ‘সংসদ চলো’ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা, লাঠিচার্জের নিন্দায় সরব মমতা

