Bengal Liberty : বীরভূমের তথাকথিত ‘পাথর সম্রাট’ টুলু মণ্ডল এখনও অধরা। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এরই মধ্যে রবিবার রাতে টুলুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ম্যানেজার সীতেশ প্রামাণিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (Tulu Mondal)। তাঁকে সোমবার সিউড়ি আদালতে তোলা হলে তাঁকে ৭ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। শুনানিতে সরকারি আইনজীবী জানান, জেরায় সীতেশের কাছ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে, যেখানে একাধিক আধিকারিকের নাম রয়েছে। পাশাপাশি নকল ডিসিআর ছাপানোর একটি মেশিনও উদ্ধার হয়েছে বলে আদালতে দাবি করা হয়। অন্যদিকে, টুলু মণ্ডলের আত্মীয় মিনার মণ্ডলের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন জানান, পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে যাতে তাঁর মক্কেলের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয় (Tulu Mondal)।

টুলুর টাকার নেটওয়ার্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সীতেশের (Tulu Mondal)
টুলু-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের পর তদন্তের গতি আরও বাড়ে। সেই সূত্র ধরেই সীতেশ প্রামাণিকের খোঁজ পায় পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যায় মহম্মদবাজার থানার পুলিশ তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করে।তদন্তকারীদের দাবি, টুলু মণ্ডলের একাধিক ম্যানেজারের মধ্যে সীতেশ ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। জেরায় টাকার লেনদেন, অবৈধ পাথর খাদানের নেটওয়ার্ক এবং কারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত, সে বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

নিখোঁজ আরও এক ম্যানেজার (Tulu Mondal)
অন্যদিকে, শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের আয়মাপাড়া গ্রামে টুলুর আরেক ম্যানেজার ইফাজুল হকের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তালাবন্ধ ঘর ভেঙে কয়েকটি ট্রাঙ্ক এবং একটি লাল রঙের ট্রলি উদ্ধার করা হয়। সেগুলিও খুলে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। পরিবারের দাবি, তিন দিন আগে ইফাজুল বাড়িতে এসেছিলেন। শনিবার সকালে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বেরিয়ে যান। তারপর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ নেই। পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করেননি তিনি। পুলিশের অনুমান, তদন্তের চাপ এড়াতে তিনিও গা ঢাকা দিয়েছেন। এদিকে টুলু মণ্ডল এখনও পলাতক। তাঁর আর্থিক লেনদেন এবং অবৈধ পাথর খাদানের সঙ্গে জড়িত আরও কারা রয়েছেন, তা জানতে তদন্ত আরও জোরদার করেছে পুলিশ।
আরও খবর
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/08/03/sebasray-5/


