Bengal Liberty:
বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা হাসন বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক কাজল শেখের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন তৃণমূলেরই ১৯ জন জেলা পরিষদ সদস্য। মঙ্গলবার অতিরিক্ত জেলাশাসকের কাছে এই অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Kajal Sheikh TMC
সূত্রের খবর, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই জেলা পরিষদের দফতরে নিয়মিত আসছিলেন না কাজল শেখ। দীর্ঘদিন প্রশাসনিক কাজে তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে দলের অন্দরেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সমিতির কোনও বৈঠক ডাকা হয়নি। ফলে উন্নয়নের কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষও প্রয়োজনীয় পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সেই আবহেই তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন তৃণমূলের সদস্যরাই।
আরও খবর

অতিরিক্ত জেলাশাসকের কাছে জমা পড়ল ১৯ জেলা পরিষদ সদস্যের অনাস্থা প্রস্তাব
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের ছবি ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে। দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগ তুলে দলের বহু নেতা নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কাজল শেখও কালীঘাট নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে ঋতব্রত শিবিরের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন।
Kajal Sheikh TMC
কিছুদিন আগেই কাজল শেখের গাড়ি লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীদের ডিম ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই তাঁর বিরুদ্ধে দলেরই সদস্যদের অনাস্থা প্রস্তাব রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
Kajal Sheikh TMC
যদিও এই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে এখনও পর্যন্ত কাজল শেখের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি। প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী, অনাস্থা প্রস্তাবের বৈধতা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন বীরভূম জেলা পরিষদের পরবর্তী পরিস্থিতি এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণের দিকে।

আরও পড়ুনঃ প্লাজমা কেলেঙ্কারিতে বড় পদক্ষেপ, হেলথ পয়েন্ট ব্লাড ব্যাংকের রেজিস্ট্রেশন বাতিল


