Bengal Libarty:
দিল্লির বঙ্গভবনে NCPI-এর সাংসদদের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠক শেষে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে যান। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবও। বৈঠক ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

NCPI Partyবঙ্গভবনে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক
সূত্রের খবর, সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর সময়ই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে NCPI-এর সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে বিশেষ কারণে সে সময় দিল্লি যেতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। পরে কলকাতায় নবান্নে তাঁর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছিল, তা প্রকাশ্যে আসেনি। মনে করা হচ্ছে, দিল্লিতে হওয়ার কথা থাকা সেই বৈঠকই মঙ্গলবার সম্পন্ন হয়েছে।
আরও খবর

NCPI Partyউপস্থিত ছিলেন ভূপেন্দ্র যাদবও
জানা গিয়েছে, বৈঠকে একাধিক সাংসদ তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় কাজ করতে গিয়ে নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের সহযোগিতা মিলছে না। এমনকি কিছু এলাকায় সাংসদদের প্রবেশেও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। এসব বিষয় নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
NCPI Party
এদিকে, দিল্লিতেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে NCPI-এর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। দলের সাংসদরা ভবিষ্যতেও NCPI-তেই থাকবেন, নাকি আগামী দিনে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলের একাংশে আলোচনা চলছে।
NCPI Party
তবে এই বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। বঙ্গভবনের এই বৈঠক রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

আরও পড়ুনঃ “আমি চেয়ারকে কেয়ার করি না, মানুষকে কেয়ার করি”,ফেসবুক লাইভে বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মমতা


