Bangladesh Election
Bengal Liberty Desk ৪ ডিসেম্বর কলকাতা: বাংলাদেশে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব ধরনের কাজে স্থগিতাদেশ চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। বাংলাদেশ কংগ্রেসের পক্ষে দলটির মহাসচিব আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বুধবার আবেদন করেন। রিটে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পরিবর্তে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে।

বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে আবেদনের শুনানি হতে পারে বলে ইয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন। (Highcourt Bangladesh)
ইতিমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষণা করেছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট হবে।
আবেদনের কারন
সূত্রের খবর, আবেদনকারী বলছেন, সংবিধান অনুসারে নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। রিটে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পরিবর্তে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনপ্রক্রিয়া স্থগিত রাখার আবেদনও করা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টে আবেদনটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।
রিট দায়েরের (Writ petition seeks HC order to stay national election process) পর আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে মতবিনিময় করেছে। তাঁদেরকে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তাঁদের আবারও নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দিলে আরেকটি প্রভাবিত নির্বাচন হবে, তা নিশ্চিত। জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হবে।

