Bengal Liberty
১৬০ দিন অতিক্রান্ত(Donald Trump) হলেও এখনও পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। উত্তেজনার পারদ কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে এখনও চরম অনিশ্চয়তা রয়েছে।এরই মধ্যে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির দিকে এগোচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে কার্যত ব্যাকফুটে ট্রাম্প। সেই কারণেই নতুন কূটনৈতিক চাল দিয়ে অবশেষে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছেন তিনি।

ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে ট্রাম্প(Donald Trump)
ঘরে হোক কিংবা বাইরে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পর থেকেই চরম অস্বস্তিতে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পাশাপাশি, চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। এরপর মার্কিন সেনা যতবার ইরানের উপর হামলা চালিয়েছে, ততবারই পাল্টা জবাব দিয়েছে তেহরান। বরং সময়ের সঙ্গে সেই জবাবের তীব্রতাও বেড়েছে। এরই মধ্যে মার্কিন কংগ্রেসের কাছ থেকে যুদ্ধের জন্য আর্থিক সাহায্য চাইতে গিয়েও তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনকে। এ যেন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ও একইভাবে মার্কিন কংগ্রেসের বিরোধিতার মুখে পড়েছিল তৎকালীন প্রশাসন।
পরবর্তী পরিকল্পনা(Donald Trump)
সূত্রের খবর, যুদ্ধের তীব্রতা ক্রমশ কমতে থাকায় পরমাণু চুক্তির মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে সমস্ত তিক্ততা ভুলে ফের কূটনৈতিক সম্পর্কের পথে হাঁটতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান মজবুত করতে এবং বিশ্বমঞ্চে নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নানা কূটনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বিশেষ বার্তা দিতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এখন পাল্টা কূটনৈতিক চালের অপেক্ষায় ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরান। ইসরায়েলের ১৫ দফা পরিকল্পনা বাতিল করে দেওয়ার পর আগামী দিনে কি পরমাণু চুক্তির মাধ্যমে ১৬০ দিন ধরে চলা যুদ্ধের অবশেষে নিষ্পত্তি হবে? সেই দিকেই এখন তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।
আরও খবর



