Biswajit Sarkar's statement
Bengal Liberty: কলকাতা পুলিশ সাক্ষীকে খুন করার পরিকল্পনা করছে, অভিযোগ মৃত বিজেপি নেতার দাদার। একুশের ভোটের আবহে খুন হন উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতা অভিজিৎ সরকার। তৃণমূলের দুই নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতা বোধ করতেন নিহত বিজেপি নেতা অভিজিৎ সরকারের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। এমনকি বেশ কয়েকবার হামলার অভিযোগও জানান তিনি। পরবর্তীতে ১০ই মে,২০২৪ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত নির্দেশ দেন বিশ্বজিৎ সরকারের নিরাপত্তার জন্য কলকাতা পুলিশের সশস্ত্র দেহরক্ষী মোতায়েন করা হবে। কলকাতা পুলিশই বিশ্বজিতের ব্যক্তিগত রক্ষী হিসাবে কাজ করবে। এবার সেই সশস্ত্র দেহরক্ষীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ফেলে পালানোর অভিযোগ করলেন বিশ্বজিৎ সরকার।
অভিযোগ (Biswajit Sarkar’s statement)
তিনি অভিযোগ করেন নারকেলডাঙা থানার যে দুজন পুলিশকে তাঁর ব্যক্তিগত রক্ষী হিসাবে রাখা হয়েছিল তাঁরা নিত্যদিন মদ পান করে ঝামেলা করে। এমনকি এদিন তাঁরা মদ পান করে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা করে অস্ত্র (আর্মস) ফেলে পালিয়ে যান। এপ্রসঙ্গে তিনি জানান, তাঁর ভাইয়ের খুনে অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার, পাপিয়া ঘোষ ও বিধায়ক পরেশ পালের লোক সর্বদা নজর রাখছে তাঁর উপর। এহেন পরিস্থিতিতে তাঁরই রক্ষীর অস্ত্র দিয়ে তাঁকেও খুন করা হতে পারে। এই আর্মস ফেলে পালানোর ঘটনাকে তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঘটনা বলে দাবি করেন। তিনি আরও দাবি করেন সাক্ষী সুরক্ষা দিতে ব্যার্থ কলকাতা পুলিশ। বিশ্বজিৎ সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান,“ পুলিশের উপস্থিতিতে আমার ভাইকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খুন হতে হয়েছিল। পুনরায় হাই কোর্ট আমার সুরক্ষায় কলকাতা পুলিশকেই নিয়োজিত করেছে। এই পুলিশ খুন করার জন্য আছে।”
খুন হন বিজেপি নেতা অভিজিৎ সরকার (Biswajit Sarkar’s statement)
একুশের ভোটের আবহে কাঁকুড়গাছিতে খুন হন উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতা অভিজিৎ সরকার। এই খুনের ঘটনাকে সামনে রেখে উত্তাল হয় গোটা কলকাতা। দেহের ময়নাতদন্ত থেকে পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া পর্যন্ত পর্বে বারবার উত্তপ্ত হয় কলকাতা।
সমগ্র ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুনরায় উত্তপ্ত কলকাতা। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ ফেলে যাওয়া আর্মস আনতে গেলে বিশ্বজিৎ সরকার বলেন ডিসি ও ওসির উপস্থিতিতেই তিনি ওই অস্ত্র ফেরত দেবেন। পাশাপাশি তার নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই ধরনের ঘটনা বারংবার যাতে না ঘটে তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান তিনি।
সম্প্রতি, সন্দেশখালির “বেতাজ বাদশা ‘ শেখ শাহাজানের বিরুদ্ধে অন্যতম সাক্ষী ভোলনাথের উপর হওয়া ভয়াবহ দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। পুনরায় বুধবার রাতে আরও এক সাক্ষীর সাথে এই ধরনের ঘটনা নিছক সামান্য নয় জানাচ্ছেন সাক্ষী বিশ্বজিৎ সরকার। দুই ঘটোনাপ্রসঙ্গে তিনি বলেন সোন্দেশখালির পর কলকাতার এই ঘটনা বুঝিয়ে দিচ্ছে কলকাতা পুলিশ সাক্ষী সুরক্ষা দিতে অপারক।

