Bengal Liberty : শনিবার দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের বাইরে তৃণমূল সাংসদদের নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লি পুলিশের দাবি, জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভ দেখিয়ে আইন ভেঙেছেন তাঁরা। সেই অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ তৃণমূলের সাতজনকে আটক করে পুলিশ।
আটকের পর তাঁদের প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। সেই ভ্যানের ভিতর থেকেই একটি ভিডিও পোস্ট করেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। ভিডিওতে কোনও অপরাধ না করা সত্ত্বেও তাঁদের আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তৃণমূলের দাবি, আটকের কোনও স্পষ্ট কারণ জানানো হয়নি। এমনকী, থানায় নিয়ে যাওয়ার বদলে দীর্ঘক্ষণ দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় তাঁদের ঘোরানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রিজন ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ছাত্র ও যুব আন্দোলনের সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেও এ ভাবে প্রিজন ভ্যানে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা এই প্রথম।
আরও খবর
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার CJP-র ডাকা আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী। CJP-র আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাস্তায় নেমেছেন একাধিক বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরা। শনিবার দিল্লিতে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, পিনারাই বিজয়ন এবং মানিক সরকার—দেশের এই চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
এ দিকে, শনিবারের ঘটনার পর রবিবারও যন্তর মন্তরে অভিযানের ডাক দিয়েছে CJP। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আটক, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগ এবং নতুন করে আন্দোলনের কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল।


