Bengal Liberty: ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড অপসারণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার ঘটনায় প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর শেক্সপিয়র সরণি থানা থেকে বেরোলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দ্বিতীয় একটি এফআইআর-এর ভিত্তিতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। থানা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
গত ২৭ অগস্ট ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সামনে বিলবোর্ড অপসারণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কলকাতা পুরসভার কর্মী, পুলিশ এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং মহিলা পুলিশকর্মীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় তিনটি এফআইআর দায়ের হয়। এর আগে এই ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট মামলাগুলির মধ্যে একটি এফআইআর-এর ভিত্তিতে আগেও থানায় হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক। বুধবার দ্বিতীয় এফআইআর-এর ভিত্তিতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
থানা থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, “ওই দিন ক্যামাক স্ট্রিট এলাকায় বহু অফিসেরই বিলবোর্ড ছিল। কিন্তু শুধুমাত্র আমার পার্টি অফিসের বিলবোর্ডটিই খোলা হল কেন?” কলকাতা পুরসভার নিয়মের প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও প্রশ্ন করেন, পুরসভার নিয়ম অনুযায়ী, কোনও পদক্ষেপ করার আগে নোটিশ দেওয়ার কথা। তা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কেন নোটিশ পাঠানো হয়নি?
আরও খবর
অভিষেকের বক্তব্য, তাঁকে যতবার ডাকা হবে, ততবারই তিনি হাজির হবেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করবেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের মামলা করে তাঁকে থামানো যাবে না।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় অভিষেকের বিরুদ্ধে পুরসভার কাজে বাধা দেওয়া, আধিকারিকদের হেনস্থা করা এবং সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের মতো অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিত সরকারেরও দাবি, “আইন ও প্রশাসনের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত মানুষই বিচার করবেন।”


