শাদাব খান
শাদাব খান

কেন্দ্রে সখ্য, বাংলায় ভাঙন! তৃণমূল ছেড়ে ফের কংগ্রেসে শাদাব খান

একসময় সাংগঠনিক নির্বাচনে প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের ছেলে রোহন মিত্রকে হারিয়ে রাজ্য যুব কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছিলেন শাদাব। সেই পদে থাকাকালীনই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। দীর্ঘ সময় পর ফের পুরনো দলে প্রত্যাবর্তন। জোড়াসাঁকো অঞ্চলের এই তরুণ নেতার দলবদল পুরভোটের আগে কংগ্রেসের সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

দলে ফিরে শাদাব বলেন, “কংগ্রেসই আমার পুরনো জায়গা, এখানেই লড়াইয়ের শুরু। কংগ্রেসের সৈনিক হিসেবেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই।”

শাদাবের প্রত্যাবর্তন এমন এক সময়ে, যখন তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদানের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি তৃণমূলের দুই প্রাক্তন কাউন্সিলরও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বলে খবর। ফলে পুরভোটের আগে দলবদলের এই পর্বকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়ছে।

উল্লেখ্য, রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে যুব কংগ্রেসের একাধিক প্রাক্তন সভাপতি সৌমিক হোসেন, মৌসম বেনজির নূর, অরিন্দম ভট্টাচার্য এবং শাদাব খান কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। এবার তাঁদেরই একজনের প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করল।

জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস ও তৃণমূলের সম্পর্কের সমীকরণ একদিকে, আর বাংলার সংগঠন ধরে রাখার লড়াই অন্যদিকে। শাদাবের ঘরে ফেরাকে সামনে রেখে কংগ্রেসের বার্তা স্পষ্ট—রাজ্যে নিজেদের সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যেই এগোতে চাইছে দল। তবে এই যোগদান কতটা সাংগঠনিক শক্তি বাড়ায়, তার উত্তর মিলবে আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে।

Soham Mullick
সোহম মল্লিক

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা। ডিজিটাল মাধ্যমেই সাংবাদিকতার জগতে হাতেখড়ি। বর্তমানে Bengal Liberty-র কার্যনির্বাহী সম্পাদক হিসাবে গুরুদায়িত্ব সামলাচ্ছে। খেলাধুলা নিয়ে বিশেষ আগ্রহ। পাশাপাশি, সব ধরনের খবরের খোঁজে কাটে রাত-দিন। অভিজ্ঞদের থেকে প্রতিনিয়ত শেখার আগ্রহ রয়েছে। কাজের বাইরে নেশা বলতে, সঙ্গীত চর্চা এবং ড্রামস বাজানো।