Bengal Liberty : প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে যাতে অপসারণ করেন প্রধানমন্ত্রী, তার জন্য দিল্লির ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার আহ্বান জানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। এক্স -এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন যে, এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সময় মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখা, রাস্তাঘাট সিল করে দেওয়া এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করার মাধ্যমে সরকার জাতীয় রাজধানীতে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড ব্যাহত করছে। তিনি লেখেন, “দিল্লির প্রতিটি ব্যবসায়ীর উদ্দেশে বলছি: আমরা আপনাদের ভালোবাসি এবং আপনাদের কথা শুনছি। ” তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, যাকে তিনি “চুরি হওয়া ভোট” বলে অভিহিত করেছেন, তা ব্যবসা-বাণিজ্য, সঞ্চয় এবং শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তিনি আরও যোগ করেন, “মোদিকে বলুন যেন তিনি চার নম্বর অভিযুক্ত জ্ঞানেশ কুমারকে বরখাস্ত করেন—তাহলে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই সব প্রতিবাদ থেমে যাবে।”রাহুল গান্ধি এমন সময় এই আহ্বান জানালেন যখন ‘চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’‘ইন্ডিয়া’ জোটের কাছে রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের সমাবেশটি ১০ নভেম্বরের পর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। ব্যবসায়ীদের এই সংগঠনটি জানিয়েছে যে, যান চলাচল পরিবর্তন এবং পরিবহন বিধিনিষেধের কারণে উৎসবের কেনাকাটার মরশুমে ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা কনট প্লেস এবং মধ্য দিল্লির অন্যান্য এলাকায় অতীতে আয়োজিত বিভিন্ন সমাবেশ, মিছিল ও রাস্তা বন্ধ থাকার ফলে ব্যবসায় যে ক্ষতি হয়েছিল, তার কথাও উল্লেখ করেছে।
সোমবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, “ভোট চুরির অসংখ্য তথ্য” সামনে আসা সত্ত্বেও তারা জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করার জন্য সম্ভাব্য সব উপায় অবলম্বন করছে। খাড়গের দাবি, ‘রাইট টু ইনফরমেশন’ (আরটিআই) বা তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত সফটওয়্যার সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাওয়া হলে, নির্বাচন কমিশন তা প্রকাশ করতে অস্বীকার করে। এর কারণ হিসেবে তারা ‘ব্যবসায়িক গোপনীয়তা’-র দোহাই দিয়েছে। তিনি জনগণকে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ১ নভেম্বরের ‘দিল্লি চলো’কর্মসূচি এবং রামলীলা ময়দানের সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি এই কর্মসূচিকে গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার একটি আন্দোলন হিসেবে অভিহিত করেন।


