Bengal Liberty : ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপে ফের ধাক্কা খেল ভারত। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও শেষরক্ষা হল না ব্লু কল্টসদের। হন্ডুরাসের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে পরাজিত হল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দল। বুধবার বাকুর হোভসান কম্পিটিশন কমপ্লেক্সে টিয়ার সি-র রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ভারতের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন রোনানদেব আহেইবাম। অন্যদিকে হন্ডুরাসের হয়ে গোল করেন ডানিও ফ্লোরেস ও আলেহান্দ্রো আমায়া।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল নিজেদের মধ্যে বলের দখল বজায় রাখার চেষ্টা করেছিল। তবে ধীরে ধীরে ভারতের আক্রমণভাগকে চাপে রাখতে শুরু করে হন্ডুরাস। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল ভারত। রোনানদেবের শট ক্রসবারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। এরপর ১৫ মিনিটে নারা মেইতেই লৌশামবামের ফ্রিকিকও অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
তবে ১৮ মিনিটে গোলরক্ষক জেনিত নিংথৌজামের ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভারতীয় জালে বল জড়িয়ে দেন ডানিও ফ্লোরেস। ফলে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় হন্ডুরাস।
বিরতির পর নতুন উদ্যমে মাঠে নামে বিবিয়ানো ফার্নান্ডেজের ছেলেরা। ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় ব্লু কল্টসরা। অবশেষে ৩১ মিনিটে রোনানদেব আহেইবামের দুরন্ত গোলে সমতায় ফেরে ভারত। আর লালরেমরুয়াতফেলার তৈরি করা আক্রমণ থেকে রোনানদেবের ক্রস-শট হন্ডুরাসের জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের স্কোর তখন ১-১।
আরও খবর
সমতা ফেরানোর পর আরও একটি গোলের খোঁজে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় ভারত। ৩৩ মিনিটে লালরেমরুয়াতফেলার ফ্রিকিক আটকে দেন হন্ডুরাসের গোলরক্ষক। এরপর নিবাস মেইতেই ও মুহাম্মদ সোহিল খানের সামনে সুযোগ এলেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি ভারত।
অবশেষে ৩৬ মিনিটে আলেহান্দ্রো আমায়ার গোলে ফের এগিয়ে যায় হন্ডুরাস। হোসুয়ে লিনারেসের কাটব্যাক থেকে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে ভারতীয় রক্ষণ। বল গোলরক্ষক জেনিতের গায়ে লেগে আমায়ার সামনে চলে আসে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন তিনি।
শেষদিকে সমতা ফেরানোর জন্য একাধিক আক্রমণ তৈরি করে ভারত। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে নারার দূরপাল্লার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফলে আর সমতায় ফেরা হয়নি ব্লু কল্টসদের। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে হন্ডুরাস।
এই হারের ফলে টিয়ার সি-র পরবর্তী পর্যায়ে আরও নিচের স্থানগুলির জন্য লড়তে হবে ভারতকে। এবার ভারতের সামনে পরবর্তী ম্যাচে প্রতিপক্ষ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো। পরাজয়ের ধাক্কা সামলে সেই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোই এখন ভারতীয় শিবিরের প্রধান লক্ষ্য।


