১৫ দিনের সময় চেয়েও লাভ হল না। আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ফের চাপে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) কাছে যে সময় চেয়েছিলেন তিনি, সেই আবেদন খারিজ করে দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, আগামী ১০ নভেম্বর তাঁকে ED-র দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সন্দীপ ঘোষের ED-র দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। আরজি কর হাসপাতালে বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাকাটা থেকে শুরু করে একাধিক আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ED। তবে নির্ধারিত দিনে তিনি নিজে হাজিরা দেননি। তাঁর আইনজীবী ED-র দফতরে পৌঁছে জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে সন্দীপ ঘোষের পক্ষে সশরীরে হাজির হওয়া সম্ভব নয়। প্রয়োজনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে তিনি রাজি। তবে সশরীরে হাজিরার জন্য অন্তত ১৫ দিন সময় প্রয়োজন বলে আবেদন জানান তাঁর আইনজীবী।
আরও খবর
কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি ED। বরং নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে আগামী ১০ নভেম্বর তাঁকে দফতরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় এই নিয়ে সন্দীপ ঘোষকে তৃতীয়বার নোটিস পাঠাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
উল্লেখ্য, আরজি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পরেই সন্দীপ ঘোষের নাম উঠে আসে। ওই ঘটনার তদন্তে নামে CBI। তবে সেই মামলায় সম্প্রতি সন্দীপ ঘোষকে জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যদিও হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে ED। সেই তদন্তের সূত্রেই এবার ফের তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা


