Bengal Liberty: ‘বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সদিচ্ছা বা বাংলায় শিল্প আনার স্বপ্নকে আমি অস্বীকার করি না। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে কৃষির পাশাপাশি এবার শিল্প উত্তরণের সময় এসেছে।’ পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী তাঁর অফিসিয়াল সামাজিক মাধ্যমে এমনটাই মন্তব্যটি করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি এও মনে করেন যে, ‘সমস্যা তৈরি হয়েছিল প্রয়োগের পদ্ধতিতে! বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মানুষকে সঙ্গে নিতে পারেননি। এর ফলাফল? সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রাম উল্টে বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছিল এবং সরকারের পতন ঘটিয়েছিল।’ দাবি অধীর রঞ্জনের।
অধীরের মতে, “রাজনীতিতে মানুষের বিশ্বাস ও সম্মতি সবচেয়ে বড় শক্তি। মানুষকে বাদ দিয়ে কোনো রাজনীতি হতে পারে না। কোনো উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।” তিনি স্পষ্ট করতে চেয়েছেন যে, গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষের রায় ও সমর্থনই হল গুরুত্বপূর্ণ ও শেষ কথা। যদি জোর জবরদস্তি বা পেশিশক্তি রাজনীতি দিয়েও থাকে তবে সেটা হল সাময়িক সুবিধা! তা কখনোই স্থায়ী হতে পারে না।
তিনি মনে করেন, রাজনীতিতে নৈতিকতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। কারণ, জনগণের আস্থা অর্জন না করতে পারলে কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতৃত্বের পক্ষে টিকে থাকা সম্ভব না।
আরও খবর
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, দলমত নির্বিশেষে বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে নেওয়া যেকোনো ভালো স্বপ্ন বা সদিচ্ছাকে তিনি অস্বীকার করেন না। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে মানুষের “সম্মতি” এবং “বিশ্বাস” নেওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।


