Joyjit Shreya Divorce
Bengal Liberty, পৌলমী গোস্বামী,Kolkata: ডিসেম্বরে আইনি বিচ্ছেদের পর অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Joyjit Shreya Divorce) ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার পর এবার প্রকাশ্যে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন শ্রেয়া। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে বিতর্কে জড়াতে চান না বলে জানিয়েছেন অভিনেতা।
বিচ্ছেদের পর কী অভিযোগ তুললেন শ্রেয়া?(Joyjit Shreya Divorce)
শ্রেয়ার দাবি (Joyjit Shreya Divorce), দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবনে তিনি একাধিক মানসিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তবে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায়, যেখানে তাঁকে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তাঁদের ১৯ বছরের ছেলে বর্তমানে দাদু-ঠাকুমার সঙ্গে থাকেন বলেও জানিয়েছেন শ্রেয়া(Joyjit Shreya Divorce)। তাঁর দাবি, ছেলে নিজের সিদ্ধান্তেই সেখানে রয়েছে। সপ্তাহের শেষে তিনি মায়ের সঙ্গে সময় কাটান।
এছাড়াও, পরিবারের পোষ্য কুকুরের দায়িত্ব নিয়েও মন্তব্য করেছেন শ্রেয়া। তাঁর অভিযোগ, আলাদা থাকার পর থেকে পোষ্যের দেখভালের দায়িত্ব তিনিই একা সামলাচ্ছেন।
‘রঙিন জীবন’ মন্তব্যে চর্চা (Joyjit Shreya Divorce)
প্রাক্তন স্বামীকে ইঙ্গিত করে শ্রেয়া(Joyjit Shreya Divorce) দাবি করেন, ব্যক্তিগত জীবনের কিছু সিদ্ধান্ত ও জীবনযাপন তাঁদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি করেছিল। তিনি বলেন ‘‘জয়জিৎ(Joyjit Shreya Divorce)ও বলেনি, তুই আমার বাড়িতে ফিরে চল। কারণ, জয়জিতের তো খুব রঙিন জীবন। সেটা সবার জানা। সেই রঙিন জীবন নিয়ে এতটাই মত্ত ছিল যে, ও ভুলে গিয়েছিল ওর বৌ আছে, সংসার আছে। আমাকে লোকে যা-ই বলুক না কেন আমি সংসার টেকানোর চেষ্টা করেছি। তবে এ ক্ষেত্রে বলব, আমারই অক্ষমতা। কারণ, একটা সময় পর্যন্ত জয়জিতের অসভ্যতা আমি নিয়েছি, তার পরে আর নিতে পারছিলাম না।” যদিও এই মন্তব্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এই প্রেক্ষিতে শ্রেয়া আরও বলেন, “জয়জিৎ(Joyjit Shreya Divorce) আমার সঙ্গে খুব ভাল ব্যবহার করেনি, যে কারণে আমাকে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়। আমাকে মাঝরাতে বলেছে ‘তুই আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যা।’ তার পরেই ওই বাড়ি ছেড়েছি আমি। শেষ দিন অবধি চেষ্টা করেছিলাম বিয়েটা টিকিয়ে রাখতে। আমি যখন জয়জিৎকে বিয়ে করেছি তখন ও জিরো ছিল। আমরা মাটিতে ঘুমোতাম। বিয়ের পরে যেমন পড়াশোনা, চাকরি করতে ও আমাকে সাহায্য করে তেমনই ওর মা-বাবারও অনেক অবদান রয়েছে আমার জীবনে। যা আমি ভুলতে পারব না কখনও।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমার দুঃখের জায়গা হল, আমার শ্বশুর-শাশুড়িও শেষ আড়াই বছরে কোনও যোগাযোগ করেননি। আমি তো ওঁদের সঙ্গেও ২০ বছর কাটিয়েছি। এ দিকে ওঁদের ৫০ বছরের বিবাহবার্ষিকীতে ডেকেছিলেন লোক দেখাতে। যাতে সবাই বোঝে আমাদের মধ্যে সব ঠিক আছে। কিন্তু তার পর থেকে কেউ খোঁজ নেননি, আমি কেমন আছি।’’
কী বললেন জয়জিৎ?(Joyjit Shreya Divorce)
এই প্রসঙ্গে অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়(Joyjit Shreya Divorce) জানিয়েছেন, তিনি প্রকাশ্যে অভিযোগের পাল্টা অভিযোগের পথে হাঁটতে চান না। তাঁর কথায়, “আমি এই বিষয়গুলো নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি করতে চাই না। শ্রেয়া আমার সন্তানের মা। কে ঠিক, কে ভুল সময়ই বলবে।”


