Swasthya Sathi Scheme
Bengal Liberty Desk :
ভোটের দামামা বাজতেই ফের সক্রিয় নবান্ন। গদি রক্ষায় একের পর এক প্রকল্প ঘোষণার মাঝে এবার স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya Sathi Scheme) কার্ডে চার ধরনের শল্যচিকিৎসার অনুমতি বেসরকারি হাসপাতালে। প্রশ্ন উঠছে—এতদিন কোথায় ছিল এই উদ্যোগ?
সরকারি হাসপাতালের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে বছরের পর বছর চিকিৎসার অপেক্ষায় থেকেছেন সাধারণ মানুষ। বহু ক্ষেত্রেই অভিযোগ, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলেও বেসরকারি হাসপাতালে পরিষেবা মেলেনি। অথচ ভোটের মুখে হঠাৎ ঘোষণা—হার্নিয়া, হাইড্রোসিল, ফিসারেক্টমি ও আর্থোস্কোপিক অস্ত্রোপচার এবার করা যাবে বেসরকারি হাসপাতালে।
রাজনৈতিক মহলে উঠছে একাধিক প্রশ্ন (Swasthya Sathi Scheme)
শুধু চারটি অস্ত্রোপচারই কেন? ক্যান্সার বা জটিল ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসা কেন নয়? যদি সাধারণ মানুষের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত, তবে তা পাঁচ বছর আগে কার্যকর হল না কেন?
অভিযোগ, এতদিন বহু বেসরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী কার্ড কার্যত গ্রহণই করত না। রোগীরা হয়রানির শিকার হতেন। এখন ভোটের আগে সেই প্রকল্পকেই নতুন করে সামনে আনা হচ্ছে বলে দাবি বিরোধীদের।

আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সঙ্গে তুলনা (Swasthya Sathi Scheme)
তুলনায় উঠে আসছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের প্রসঙ্গও। আয়ুষ্মান ভারত যেখানে সারা দেশে প্রযোজ্য এবং বিস্তৃত চিকিৎসা কাভারেজ দেয়, সেখানে স্বাস্থ্যসাথী সীমাবদ্ধ রাজ্যভিত্তিক এবং পরিষেবার ক্ষেত্রেও প্রশ্ন রয়েছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই একাধিক দফায় ভোট গ্রহণের সম্ভাবনা। তার ঠিক আগেই স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে এই ঘোষণা – এর নেপথ্যে নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বলা যায়, নাকি ভোটের অঙ্ক কষেই এই পদক্ষেপ? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে।
