Beldanga NIA case
Bengal Liberty, Kolkata:
মুর্শিদাবাদের বহুচর্চিত বেলডাঙা মামলায় আবারও জটের মুখে (Beldanga NIA case)। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের এনআইএ বিশেষ আদালতে হাজির করানো গেল না। টানা দ্বিতীয়বার একই ঘটনা ঘটায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক সদিচ্ছা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এসকর্ট সংকট নাকি প্রশাসনিক গাফিলতি? (Beldanga NIA case)
বহরমপুর সংশোধনাগার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের কলকাতায় এনআইএ আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ এসকর্ট মেলেনি। জেলা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার নিরাপত্তায় বিপুল পুলিশ মোতায়েন থাকায় অতিরিক্ত বাহিনী দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, এত গুরুত্বপূর্ণ মামলায় কি আগাম পরিকল্পনা করা যেত না?
বেলডাঙা ঘটনার প্রেক্ষাপট (Beldanga NIA case)
বছরের শুরুতে এক শ্রমিকের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। অভিযোগ ওঠে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর শুরু হয় বিক্ষোভ, রাস্তা অবরোধ, রেল অবরোধ। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ-র হাতে।

আদালতে হাজির করতে সমস্যার সম্মুখীন (Beldanga NIA case)
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করানোর ক্ষেত্রে বারবার বাধা তৈরি হচ্ছে। বহরমপুর জেল থেকে কলকাতায় ৩৬ জন ‘হাই রিস্ক’ অভিযুক্তকে আনার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রয়োজন হলেও তা দেওয়া হচ্ছে না বলেই অভিযোগ। এর ফলে তদন্ত প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা।
রাজনীতি বনাম বিচারপ্রক্রিয়া? (Beldanga NIA case)
বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচারপ্রক্রিয়া ধীর হচ্ছে। যদিও প্রশাসনের তরফে সরাসরি এই অভিযোগ মানা হয়নি।
মহা ঈদের সাথে Bangladesh Election – কে তুলনা করলেন Muhammad Yunus | Bangladesh News | Bengal Liberty#mdyunus #bangladeshelection #bangladeshelection2026 #eidcelebration #bengalliberty pic.twitter.com/ldXNDAXO6I
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 12, 2026
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা দুটির মধ্যে ভারসাম্য রাখা একান্তই সরকারের দায়িত্ব। বেলডাঙা মামলায় বারবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে। এখন নজর আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
