CBI and ED probe RG Kar
Bengal Liberty, Kolkata: রাজ্যের বহুচর্চিত আর জি কর আর্থিক দুর্নীতি মামলায় নতুন মোড়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা চার্জশিট জমা দিলেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন না মেলায় বিচারপ্রক্রিয়া এগোতে না পারায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধী মহলের অভিযোগ, দুর্নীতির তদন্তে প্রশাসনিক স্তরে বাধা তৈরি হচ্ছে।
কী ঘটেছে? (CBI and ED probe RG Kar)
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত মামলায় Enforcement Directorate ইতিমধ্যেই চার্জশিট জমা দিয়েছে। চার্জশিটে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ বিপ্লব সিংহ ও সুমন হাজরা

সহ একাধিক ব্যক্তির নাম রয়েছে। (CBI and ED probe RG Kar)
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হাসপাতালের তহবিল থেকে বড় অঙ্কের টাকা বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে ঘুরিয়ে অন্যত্র সরানো হয়েছিল। তবে মামলার পরবর্তী বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে প্রশাসনিক অনুমোদন প্রয়োজন হওয়ায় তা না মেলায় আইনি প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রয়েছে বলে সূত্রের খবর। এবং আগামী ৭ মার্চ ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত
কেন এই মামলা? (CBI and ED probe RG Kar)
আর জি কর হাসপাতালে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি তদন্তে নামে Central Bureau of Investigation এবং পরে অর্থপাচার সংক্রান্ত দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করে ইডি।
তদন্তে উঠে এসেছে, হাসপাতালের অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিকাদারদের মাধ্যমে টাকা সরানো হয়েছে এবং একাধিক স্তরের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তা ঘোরানো হয়েছে বলে অভিযোগ।
AI Impact Summit 2026: বিস্তারিত পড়ুন লিংকে ক্লিক করে https://t.co/7Lp5eHR1rv@bengalliberty #AIImpactSummit #aiimpactsummit2026 #bengalliberty pic.twitter.com/4kK5c220qu
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 16, 2026
মামলার সূত্রপাত কীভাবে? (CBI and ED probe RG Kar)
এই দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনেন আর জি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয় তদন্ত শুরু হয় বলে জানা যায়।

রাজনৈতিক বিতর্ক (CBI and ED probe RG Kar)
বিরোধীদের দাবি, দীর্ঘদিন রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা এই সরকার,প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে। অন্যদিকে, বিরোধী নেতাদের একাংশের অভিযোগ, দুর্নীতির মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হলে প্রশাসনিক অনুমোদন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সময়সীমাবদ্ধ হওয়া জরুরি। তবে এক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়লেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন রাজ্যের তরফে পাওয়া যায়নি। আর সেই কারণেই পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা যাচ্ছে না বলেও নিম্ন আদালতে দাবি ইডির।
সব মিলিয়ে, আর জি কর দুর্নীতি মামলা এখন শুধু আইনি লড়াই নয়, রাজনৈতিক লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতেও পরিণত হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন নিয়ে এই টানাপোড়েন শেষ পর্যন্ত তদন্ত ও বিচার কতটা প্রভাবিত করে, সেটাই এখন দেখার।
