attack on TMC
attack on TMC

attack on TMC: নবান্ন নয়, বাংলার সরকার চালায় তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী! তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমন প্রধানমন্ত্রীর

Bengal Liberty, Kolkata:

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারে রবিবার ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি attack on TMC। আগামী ২৯ এপ্রিল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের মোট ১৪২টি আসনে ভোটের আগে এদিন ছিল প্রচারের শেষ দিন। তাই সকাল থেকেই একাধিক জনসভা ও রোড শোর কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রচারে নামেন প্রধানমন্ত্রী।

attack on TMC
attack on TMC

নবান্ন থেকে সরকার চলে না- প্রধানমন্ত্রী attack on TMC

আজ, রবিবার হরিপালের জনসভায় পশ্চিমবঙ্গের গুণ্ডারাজ নিয়ে সবর হোন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা থেকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নবান্ন থেকে সরকার চলে না। হয় এই সরকার চালায় তৃণমূলের গুন্ডা, মস্তানেরা। নয়তো হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সরকার সোজা হয়।’ তিনি দাবি করেন, রাজ্যে প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা কমে গেছে। তাই ন্যায়বিচার পেতে বহু মানুষকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে।

 

মমতা সরকারকে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল সরকারের নানা কুকর্মের জন্যই মানুষের ভরসা নষ্ট হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দুর্নীতি, সন্ত্রাস এবং কাটমানির রাজনীতিতে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘বাংলার মানুষ এখন পরিবর্তন চাইছেন। তারা এমন একটি সরকার চান, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ অন্যদিকে রাজ্যের শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে সরব প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সংবেদনশীল সরকার হলে নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করত। কিন্তু আদালতকে এখানে তদন্তের নির্দেশ দিতে হয়েছে।’

attack on TMC
attack on TMC

ভোটপ্রচারে নেতাজি স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

আজ সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতাজির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্রের আহ্বান মনে রাখবেন। তিনি বলেন, রক্ত দাও, স্বাধীনতা দেব। দেশের মানুষ সব উজার করে দেন। আপনারা আমাদের একটা ভোট দিন, আশীর্বাদ দিন, আমরা তৃণমূল থেকে মুক্তি দেব। জঙ্গলরাজ, ভয়, দুর্নীতি, মহিলা নির্যাতন, বেকারত্ব, অনুপ্রবেশকারী থেকে মুক্তি দেব’।

পঞ্চায়েত ভোটের সন্ত্রাস নিয়ে কটাক্ষ

সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সব জায়গায় রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত নির্বাচন পরিচালনা করে। সুরক্ষার দায়িত্ব তাদেরই থাকে। কিন্তু ২০২৩ সালে কী হল দেখেছেন তো? আদালতের মনে হয়েছিল, সরকার সুরক্ষার দায়িত্ব নিতে পারবে না। তাই আদালত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল।’ প্রধানমন্ত্রীর মুখে বগটুই, আরজি করের ঘটনা। তিনি বলেন, ‘এখান সরকার কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্তেও বাধার সৃষ্টি করে।’

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচারের শেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের একাধিক জায়গায় সভা ও রোড শো করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা করার চেষ্টা করেন। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অচলাবস্থা এবং তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজনৈতিক মহলের মতে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ মুহূর্তে ভোটারদের প্রভাবিত করতেই এদিন তীব্র আক্রমণের সুরে প্রচার চালালেন প্রধানমন্ত্রী।

রবিবাসরীয় বিকেলে হরিপালের জনসভায় মঞ্চে তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানান রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। ‘জয় মা কালী, জয় মা দুর্গা’ বলে বক্তৃতা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই রাজা রামমোহন রায়, রামকৃষ্ণদেব-সহ বাংলার মণীষীদের কথা স্মরণ করলেন তিনি। এদিনের সভা থেকে তিনি দ্বিতীয় দফায় প্রথম দফার ভোটদানের রেকর্ড ভাঙার আহ্বান জানান। এদিন সভায় ব্যারিকেড টপকে প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করেন এক মহিলা বিজেপি কর্মী। নিরাপত্তারক্ষীরা ওই মহিলা কর্মীকে সভাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন।

Bengal liberty
Bengal liberty

Bengal Liberty is a platform dedicated to guerrilla, unfiltered, and independent journalism. Through YouTube, its official website, and various social media channels, Bengal Liberty seeks to present citizen journalism to the public with integrity and transparency. Editor: Bittu Roy Chowdhury