Bengal Liberty, ৪ এপ্রিল :
পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে নিশ্চিন্তে বিচরণের দিন সমাপ্ত। অন্তত শুধুমাত্র যাঁদের ‘প্রয়োজন’ তাঁদের ছাড়া (Security withdrawal)। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে নির্বাচন কমিশন। ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত কিন্তু বর্তমানে জামিনে বা প্যারোলে রয়েছেন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও থ্রেট নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে এবার সেই নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজন নেই এমন ব্যক্তিদের নিরাপত্তা তুলে নিতে হবে পাশাপাশি আজ, শনিবার বেলা ১২টার মধ্যে রিপোর্ট জেলাওয়াড়ি পাঠাতে হবে কমিশনের কাছে (Security withdrawal)। ইতিমধ্যেই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে ব্যক্তির পদ নয়, বরং প্রকৃত ঝুঁকির মাত্রা বিচার করেই নিরাপত্তা প্রদান বা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে কড়া কমিশন (Security withdrawal)
রাজ্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শাসক দলের সাংসদ, বিধায়ক থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত স্তরের অনেক নেতার জন্য একাধিক নিরাপত্তারক্ষী নিয়োজিত রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তৃণমূলের ৮৩২ জন নেতা এবং ১৪৪ জন শাসক-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির নিরাপত্তায় কলকাতা ও রাজ্য পুলিশ মিলিয়ে মোট ২১৮৫ জন কর্মী মোতায়েন রয়েছেন। এই বিপুল নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কমিশন।
West Bengal SIR: প্রাক্তন বিচারপতিদের আজ থেকেই শুরু ট্রাইব্যুনালের ট্রেনিং, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কমিশনের আইনজীবী | Bengal Liberty#westbengalsir #WestBengalNews #sirwestbengal #BengalLiberty pic.twitter.com/SlVzr6WDV1
আরও খবর
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) April 1, 2026
এই প্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে সতর্ক করেন। এরপর জারি হওয়া নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে এবং বর্তমানে জামিন বা প্যারোলে মুক্ত, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও থ্রেট নেই-তাঁদের নিরাপত্তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। কমিশন জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১২টার মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে এবং আজ, শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে জেলাভিত্তিক বিস্তারিত রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে।


