Bengal Liberty : হঠাত তাল কেটেছে দুর্গাপুজোর ছন্দে। চোরবাগানে ভয়াবহ বিপর্যয় থেকে বড়সড় শিক্ষা! শহরের বড় পুজো মণ্ডপে আর থাকবে না ভিআইপি লাইন। সবাইকে একটা লাইন দিয়েই ঢুকতে হবে। ভবানীভবনে বৈঠকের পর এমনটাই নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে যা করার করা হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনার পরেই বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান কাটছাঁট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
দুর্গাপুজোয় ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে ও আগামীতে যাতে একধরণের মর্মান্তিক ঘটনা না ঘটে, কথা ভেবে একাধিক পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো এবং মণ্ডপের ভিতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুজো কমিটিগুলির জন্য ১০ দফা নির্দেশিকা জারি করল ফোরাম ফর দুর্গোৎসব। রবিবার নেতাজি ইন্ডোরে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে-প্রতিটি মণ্ডপের প্রবেশপথে স্বেচ্ছাসেবক অথবা ক্লাবের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যকে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রতিটি ক্লাবকে ১০টি করে রেইনকোট রাখতে হবে। রেইনকোটের খরচ ফোরাম ফর দুর্গোৎসব বহন করবে।
দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে প্রতিটি ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবকদের আরও সক্রিয়ভাবে রাস্তায় দায়িত্ব পালন করতে হবে।মণ্ডপের ভিতরে সেলফি তোলা বা ভিডিও করা যাবে না, এই বিষয়ে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমের মাধ্যমে নিয়মিত ঘোষণা করতে হবে।বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্লাবের ব্যাচ পরে অন্যত্র ঠাকুর দেখতে না গিয়ে প্রত্যেক সদস্যকে নিজের পাড়ার পুজোয় উপস্থিত থেকে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আরও খবর
রাস্তায় কোনওরকম গর্ত করা যাবে না। কোথাও গর্ত থাকলে দ্রুত তা বুজিয়ে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে।প্রতিটি জোনে ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের পক্ষ থেকে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে জোনাল সেক্রেটারির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। পুজো পরিচালনা, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে প্রতিটি ক্লাবকে প্রশাসনের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে।কোনও পুজো কমিটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করতে চাইলে ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশানুসারে সমস্ত ক্লাবকে ওয়াকিটকির ব্যবস্থা রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।


