RSS
RSS

চোরবাগান বিপর্যয়ের পর বিধ্বস্তদের সেবায় স্বয়ংসেবকরা

Bengal Liberty : আর্তের সেবায় কোনওরকম ভেদাভেদ না করেই সাহায্যের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা। ব্যতিক্রম হল না চোরবাগান বিপর্যয়েও। সপ্তমীর সন্ধ্যার মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর বিধ্বস্তদের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করলেন স্বয়ং সেবকরা। রবিবার সকাল থেকেই মেডিক্যাল কলেজের মর্গের সামনে মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেল বিশ্বের বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আরএসএস-এর কর্মীদের। জানা গিয়েছে, সংঘের বড়বাজার অঞ্চলের পশ্চিমভাগের স্বয়ংসেবকরা মর্গের সামনে আর্ত পরিজনের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করছেন। শোকস্তব্ধ পরিবারগুলির যে কোনও ধরনের প্রয়োজনে আরএসএস কর্মীরা পাশে দাঁড়াচ্ছেন। পাশাপাশি আহতদের সবরকমভাবে সাহায্য করার জন্যও প্রস্তুত সংঘের সদস্যরা। প্রয়োজনে উদ্ধারকাজে পুলিশকে সাহায্য করার জন্যও তারা প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন স্বয়ংসেবকরা।

‘মানুষের বিপদ দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়ি আমরা’: জানালেন সংস্থার সদস্যরা

সংঘ সূত্রের খবর, ২৫ জন স্বয়ংসেবক ইতিমধ্যেই মানুষের সেবায় কাজ শুরু করেছেন। বাইরে রয়েছেন আরও সদস্য। জল, বিস্কুট, ট্রাফিক, সাহায্য, যে কোনও সেবায় এবারেও নজিরবিহীন ভূমিকা দেখা গেল তাঁদের।
এই বিষয়ে স্বয়ংসেবকদের কথায়,”যেখানেই মানুষ বিপদে পড়েন আমরা এগিয়ে যাই। পোস্তা ব্রিজ বিপর্যয়ের পরেও আমরা গিয়েছিলাম। এখানেও যা সাহায্য লাগবে, সাধ্যমতো আমরা সব করছি। কে কী বলল, তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। গত রাত থেকে কাজ করছি। এটাই আমাদের কর্তব্য।”


চোরবাগান সর্বজনীনের দুর্ঘটনার পর ১২ ঘণ্টা কেটেছে। ঘটনার দিন বৃষ্টি কিছুক্ষণ পর থেমে গেলেও আর থামছে না স্বজন হারাদের চোখের জল। প্রশাসন-পুজো কমিটি-বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী-আমজনতা পিঠ বাঁচাতে সবাই সবার উপর দায় ঠেলাঠেলিতে ব্যস্ত। এসবের মধ্যে আরএসএস কর্মীরা নিজেদের কাজ করছেন। দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

Pushpak Bhattacharya
পুষ্পক ভট্টাচার্য

পুষ্পক ভট্টাচার্য একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করার পর ২০২৬-এ Bengal Liberty-তে সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশাগত যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ। দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং খেলাধুলার নানা বিষযয়ের প্রতি বিশেষ ঝোঁক। ব্যস্ততার বাইরে বই ও সিনেমা সঙ্গী।