Bengal Liberty
সৌদি আরবের দাম্মান থেকে ৩২ জন যাত্রীকে(Air India)নিয়ে নিউ দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট। সব কিছু ঠিকঠাকভাবেই চলছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই বিমানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। বিমানে বোমা আছে লেখা চিরকুট উদ্ধারের পরেই জরুরি ভিত্তিতে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি আহমেদাবাদে জরুরি অবতরণ করে। সমস্ত যাত্রীকে বিমান খালি করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ভালো করে বিমানটি খতিয়ে দেখার পরেই অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সৌদি আরবের বিমানটি।

তদন্তের নির্দেশ(Air India)
ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়তেই কতৃপক্ষদের তরফ থেকে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পেছনে কে বা কারা আছে, তা খুঁজে বের করতেই হবে, নইলে ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা ঘটতেই থাকবে। ঘটনার সময় উদ্ধার করা চিঠিতে ঠিক কী লেখা ছিল, সেই বক্তব্য তুলে ধরেছেন সেই বিমানের কর্মচারী।
কর্মচারীর বক্তব্য(Air India)
” বিমান সঠিক সময়ে অবতরণ করেছিল, কোনো সমস্যা হয়নি। হঠাৎ করেই মাটিতে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল বিমানের ভিতরে বোমা আছে। আমি সময় নষ্ট না করে বিমানচালককে গিয়ে খবর দিই। ওনারা তাড়াতাড়ি কন্ট্রোল রুমে ইনফর্ম করেন। আমরা যাত্রীদের কিছুই জানতে দিইনি, অযথা বিভ্রান্তি ছড়াবে বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। শেষমেশ দিল্লিতে জরুরি অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর দিল্লিতে নামার আগে আমরা যাত্রীদের উদ্দেশে বলি, কিছু কারণের জন্য জরুরি ল্যান্ডিং করানো হচ্ছে। তারপরে চেকিং করার পর কিছুই মেলেনি।”
আরও খবর
জঙ্গিহামলার আশঙ্কা(Air India)
ঘটনার বিবরণ শুনেই পরিষ্কার, কে বা কারা এই ধরনের ক্ষমাহীন, ঘৃণ্য অপরাধ করেছে, তা এখনো জানা না গেলেও তদন্তের মধ্য দিয়েই আসল দোষীকে খুঁজে বের করা হবে। তবে প্রশ্ন একটাই, কীসের উদ্দেশ্যে এই ধরনের বার্তা দেওয়া হল? ভবিষ্যতে কি বড় কোনো জঙ্গিহামলা হতে পারে? সেই আশঙ্কা কোনো মতেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আগামী দিনে এই ঘটনার কোনো নতুন মোড় দেখা যায় কি না, সেই দিকেই নজর থাকবে সবার।



