Bengal Liberty : দীর্ঘদিনের টালবাহানা, বিতর্ক ও জটিলতার অবসান ঘটিয়ে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হল ইজরায়েলের নির্বাচনী প্রক্রিয়া। ১৯৭৩ সালের পর সর্বোচ্চ ভোটদানের রেকর্ড গড়ে ইজরায়েলের নির্বাচনে ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের মর্মান্তিক স্মৃতিকে পিছনে ফেলে তিন বছর পর আবারও গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হয়েছেন ইজরায়েলের সাধারণ নাগরিকেরা। তবে সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন— ফের কি ক্ষমতায় ফিরবেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, নাকি সবাইকে অবাক করে দিয়ে ইজরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী হবেন ইস্সাক হেরজোগ? এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে চলছে জল্পনা। সেই সঙ্গে নেতানিয়াহু পরাস্ত হলে ভারতের সঙ্গে ইজরায়েলের সম্পর্কে তার কতটা প্রভাব পড়বে, তা নিয়েও বাড়ছে উদ্বেগ।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী থেকে শুরু করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি— ভারতের রাজনীতিতে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় থাকা নেতৃত্বের আমলেই ইজরায়েলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে। তবে ইস্সাক হেরজোগের বিভিন্ন মন্তব্যকে ঘিরে মাঝেমধ্যেই সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে আক্রমণ করতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদি ও ভারত সম্পর্কে অতীতে তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বলেও অভিযোগ। তাই শেষ পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে ইজরায়েলের সম্পর্ক কোন দিকে এগোবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
আগামী ৪ নভেম্বরই স্পষ্ট হয়ে যাবে, এই হাই-ভোল্টেজ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কোন পক্ষ বাজিমাত করল। তবে বেশি হারে ভোটদান মানেই যে সরকার পরিবর্তন, তা নয়। ইজরায়েলের ক্ষেত্রেও কি ক্ষমতার পালাবদল হবে, নাকি সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে ফের জয়ী হবেন নেতানিয়াহু? সেই উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত।


