Bengal Liberty
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার(Donald Trump)এই দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ টালবাহানা, ভেনেজুয়েলার তৎকালীন রাষ্ট্রপতিকে অপহরণ থেকে শুরু করে রাশিয়ার তেলের আধিপত্য কমাতে বারংবার ভেনেজুয়েলার বন্ধু হতে চেয়েছে আমেরিকা। শেষ অবধি বন্ধুত্বে শিলমোহর পড়ল।

ঐতিহাসিক ঘোষণা(Donald Trump)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন বা সাড়ে ৬ হাজার কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেল মজুত নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি চুক্তির কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, এটাই ‘বিশ্বের বৃহত্তম তেল চুক্তি’। ট্রাম্পের আশা, এর ফলে আমেরিকার মজুত তেলের পরিমাণ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়বে। এর ফলে পেট্রলের দাম দীর্ঘমেয়াদে কমবে বলেই মনে করছেন তিনি।এদিকে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজের আশা, এর ফলে তাঁর দেশের অর্থনীতিও আগের জায়গায় ফিরে পাবে।

ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ট্রাম্প নতুন বন্ধুত্বের জন্য ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজের উদ্দেশে লিখেছেন,”দুই মহান দেশের মহান ঐতিহাসিক চুক্তি তেলের বাজারে নতুন দিগন্ত খুলে দিল। আমি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজকে শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা জানাই। এরই সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্কের সূচনা যেন তাঁর জন্য নতুন পথ খুলে দেয়। দুই তরফ থেকেই আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি “।
আরও খবর
তেলের বাজারে রাশিয়ার নতুন প্রতিপক্ষ(Donald Trump)
বিগত কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে রাশিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্য লক্ষ করা গেছে। ভারতের মতোই আরও বহু একাধিক দেশ রাশিয়ার থেকে তেল কেনে। তেলের বাজারে বারবার রাশিয়ার থেকে পিছিয়ে ছিল আমেরিকা। এমনকি অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা ভারত-সহ আরও বিভিন্ন দেশের উপর নির্দেশিকা জারি করলেও আমেরিকার হুমকিকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাশিয়ার সঙ্গেই রমরমিয়ে চলছে তেলের কারবার।সেই কারণেই কি রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন প্রতিপক্ষ দাঁড় করিয়ে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প?

এই নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে চলছে জোর আলোচনা। এর পাশাপাশি এর কতটা প্রভাব ভারতের উপর পড়বে? এখনও অবধি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। তার মধ্যে ইরানের সঙ্গে রাশিয়ার গোপন আঁতাতের অভিযোগ বহুবার এফবিআইয়ের তরফ থেকেও করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তেলের আধিপত্য নিয়ে এই লড়াইয়ে কোন পক্ষ জয়লাভ করবে, তার কোনো নিশ্চয়তা না থাকলেও সাধারণ মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। আরও মহার্ঘ হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তেলের জ্বালায় জর্জরিত সাধারণ মানুষ।



