Bengal Liberty:
ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের অফিস থেকে বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উত্তেজনার আঁচ এবার কলকাতা হাই কোর্টে। শুক্রবার বিষয়টি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। তাঁর বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী মামলা দায়ের করে নম্বর নিয়ে আসার নির্দেশ দেন (Highcourt on Abhishek)। মামলার নম্বর পাওয়ার পরই শুনানি হবে বলে জানায় আদালত। একইসঙ্গে, এই বিষয়ে মামলার অন্য পক্ষকেও অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলা দায়েরের অনুমতি (Highcourt on Abhishek)
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে কলকাতা পুরসভার কর্মীরা বিলবোর্ড খুলতে যান। পুরসভার দাবি, বিলবোর্ডটি বেআইনিভাবে লাগানো হয়েছিল। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে পুরকর্মীরা সেখানে পৌঁছনোর পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ধস্তাধস্তির পর শেষ পর্যন্ত বিলবোর্ডটি খুলে দেন পুরসভার কর্মীরা।
তবে ঘটনার পরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার রাতেই ওই ভবনের উপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি-সহ তৃণমূলের আরও একটি বড় ফ্লেক্স লাগানো হয় বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয় শোরগোল।
আরও খবর

তৃণমূল নেতাদের নামে মামলা (Highcourt on Abhishek)
ইতিমধ্যেই ঘটনায় এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি ও পার্ক স্ট্রিট থানায় মোট তিনটি মামলা হয়েছে। সরকারি কর্মী ও পুলিশকে কাজে বাধা দেওয়া, হুমকি, বেআইনি জমায়েত, হিংসাত্মক কার্যকলাপ, পুলিশকর্মীদের মারধর এবং চুরির মতো একাধিক অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। কয়েকটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, হুমায়ুন কবীর, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতার নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতেই শুক্রবার হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল। বিলবোর্ড খোলার ঘটনাকে ঘিরে আইনি লড়াই এবার কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আরও পড়ুনঃ নেপাল বিপর্যয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা! নিখোঁজ ভারতীয়দের জন্য হেল্পলাইন চালু


