Bengal Liberty : যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে ফের উত্তপ্ত দিল্লি। বুধবার ভোরে গ্রেফতার হলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র তিন নেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক শিন্দে। সিজেপির আইনজীবী রত্না সিংহ সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন। দিল্লি পুলিশের দাবি, আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশের বিরুদ্ধে বেআইনি পদক্ষেপের অভিযোগ তুলেছে সিজেপি। তিন নেতাকে তিহাড় জেলে পাঠানো হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দল।
আদালতে পেশের সম্ভাবনা
সিজেপির আইনি বিষয়ক প্রধান রত্না সিংহের দাবি, যন্তর মন্তর সংক্রান্ত ঘটনায় সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং অজিঙ্ক শিন্দেকে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় গ্রেফতার করে রাখা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ, বন্ডের শর্ত লঙ্ঘন এবং সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ আনা হয়েছে। বুধবার সকালে তিন জনকে মন্দির মার্গ থানায় এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হতে পারে। রত্নার অভিযোগ, মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত তিন নেতার সঙ্গে তাঁদের আইনজীবীদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি। ভোর ৩টে নাগাদ তাঁদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের এই পদক্ষেপকে বেআইনি বলে দাবি করেছে সিজেপি। দলের বক্তব্য, এ ভাবে নেতাদের গ্রেফতার করে আন্দোলনের মনোবল ভাঙা যাবে না।

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা ঘিরে সংঘাত
এর আগে গত শনিবার, ১০ অক্টোবর, দিল্লি বিমানবন্দরে নামার পরেই সিজেপির নেতাদের প্রতিরোধমূলক গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে আদালত থেকে এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার শর্তে জামিন পান সৌরভেরা। তার পরেও যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে নতুন করে সংঘাত তৈরি হয়।
আরও খবর
সোমবার যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করে দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যন্তর মন্তরের পরিবর্তে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য তিনটি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে-রামলীলা ময়দান, বুরারি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি এলাকা। এ বার থেকে ওই তিন জায়গায় কর্মসূচি পালন করা যাবে। কিন্তু সেই নির্দেশিকা অমান্য করে যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা করেন সিজেপির নেতারা। তার জেরেই ফের গ্রেফতারির মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদের।


