Bengal Liberty : রাজধানী দিল্লিতে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে দিল্লি পুলিশ। সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা-সহ একাধিক সিজেপি (কক্রোচ জনতা পার্টি) নেতাকে আটক করার পর পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছে সংগঠনটি। আটক নেতাদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি তাঁদের আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সিজেপির আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিং। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করেছিল সিজেপি। কিন্তু যন্তর মন্তরে প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, ব্যারিকেড টপকে এবং বন্ধ গেট পেরিয়ে প্রতিবাদস্থলে প্রবেশ করেন তাঁরা। এরপরই সৌরভ দাস, আশুতোষ রানকা, অজিঙ্ক্য শিন্ডে-সহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।

এই ঘটনার পর পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন সিজেপির আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিং। তাঁর অভিযোগ, আটক নেতাদের জাফরপুর কালান থানায় রাখা হয়েছে। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না আইনজীবীদের। পাশাপাশি, আটক নেতাদের মোবাইল ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
আরও খবর
সমাজমাধ্যমে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রত্না সিং প্রশ্ন তুলেছেন, কোন আইনি অধিকারে নেতাদের আটক রাখা হয়েছে এবং কেন তাঁদের আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না? তাঁর মতে, আটক ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তবে আটক নেতাদের সঙ্গে আইনজীবীদের দেখা করতে না দেওয়া এবং তাঁদের ফোন বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে দিল্লি পুলিশের বক্তব্য জানা না যাওয়ায় গোটা ঘটনাকে ঘিরে বিতর্ক আরও বেড়েছে।


