ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি
ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি

নীলগঞ্জে কৌস্তভ বাগচির গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, ‘গো ব্যাক’ স্লোগানে অস্বস্তিতে বিজেপি

নীলগঞ্জের পাট ও তন্তু গবেষণা কেন্দ্রের একটি কেন্দ্রীয় সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন কৌস্তভ বাগচি। কৌস্তভ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর একটি কর্মসূচি সংক্রান্ত সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই সেখানে গিয়েছিলাম।” কিন্তু অনুষ্ঠান শেষে বেরোনোর সময় বেশ কয়েকজন প্ল্যাকার্ড হাতে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তাঁকে দেখেই শুরু হয় বিক্ষোভ। কৌস্তভের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা প্রত্যেকেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা লোকজন। তাঁর কথায়, “যাঁরা এসব বলছেন, তাঁরা সবাই তৃণমূল করতেন।” পাশাপাশি তিনি জানান, বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানাবেন। পুলিশ কমিশনারকেও ঘটনাটি জানিয়েছেন বলে দাবি তাঁর।

এদিনের ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত হিসেবেও দেখেছেন কৌস্তভ। নাম না করে নীলগঞ্জ কোন বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত, তা দলকে খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকলে বাধার মুখে পড়তে হয়। তবে আমার সহনশীলতাকে কেউ দুর্বলতা মনে করলে ভুল করবেন।” এভাবেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপির অন্দরে কৌস্তভ বাগচিকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধের পাশাপাশি উত্তম দাসের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন কৌস্তভ। সেই প্রসঙ্গে অর্জুন সিংকে বিষয়টি বিচক্ষণতার সঙ্গে বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। যদিও এদিনের বিক্ষোভ নিয়ে এখনও পর্যন্ত অর্জুন সিংয়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে দলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের আবহে নীলগঞ্জের এই বিক্ষোভ কৌস্তভ বাগচিকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা বাড়াল।

Bengal Liberty