Bengal Liberty
রাজনীতিতে জনপ্রতিনিধি হওয়ার(Bhatar BJP MLA)পর সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করাই যেন স্বাভাবিক। এই ধারণার বাইরে গিয়ে ব্যক্তিগত খরচ নিজেই বহন করার কথা জানালেন ভাতারের বিজেপি বিধায়ক শৌমেন করফা। নিজের স্ত্রী ও সন্তানের চিকিৎসার জন্য সরকারি অর্থ না নিয়ে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক আয় থেকে কয়েক লক্ষ টাকার হাসপাতাল বিল মেটানোর কথা নিজের ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগকে ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশংসার সুর শোনা যাচ্ছে।

বিধায়কের দাবি (Bhatar BJP MLA)
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সৌমেন কারফা লিখেছেন, সবাইকে অর্থনৈতিক সুবিধা বা সরকারি সুযোগ-সুবিধার জন্য রাজনীতিতে আসা ব্যক্তি হিসেবে দেখা উচিত নয়। তাঁর বক্তব্য, এখনও বহু মানুষ আদর্শ, জাতীয়তাবাদ, জনসেবা, সমাজসেবা কিংবা রাজনৈতিক আদর্শের তাগিদে রাজনীতিতে যুক্ত হন। নিজের স্ত্রী সন্তান প্রসবের সময় কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে কয়েক লক্ষ টাকার বিল হয়েছিল বলে জানিয়ে সৌমেন করফা। তিনি লিখেছেন, বিধায়ক হিসেবে তিনি সেই চিকিৎসার খরচের জন্য সরকারি অর্থ নেননি। নিজের ব্যবসায়িক ও পারিবারিক অর্থেই স্ত্রী ও সন্তানের হাসপাতালের বিল মিটিয়েছেন। কারণ সরকারি কোষাগারের টাকা বাঁচাতে তাঁর এই প্রয়াস।
কাঞ্চন মল্লিককে খোঁচা (Bhatar BJP MLA)
এই প্রসঙ্গে নিজের ফেসবুক পোস্টে তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিককে কটাক্ষ করে তাঁর স্ত্রীর প্রসবের হাসপাতালের বিল বাবদ সরকারি অর্থ নেওয়ার প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন সৌমেন কারফা। সৌমেন কারফার বক্তব্যের মূল জায়গাটি অবশ্য সরকারি অর্থ বাঁচানোর ভাবনা। তিনি লিখেছেন, বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর রাজ্যের আগের সরকারের বিপুল দেনার কথা জানতে পেরেছেন। সেই পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত খরচ বহন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য যখন তাঁর রয়েছে, তখন পরিবারের চিকিৎসার জন্য সরকারি কোষাগারের টাকা ব্যবহার না করাই তাঁর কাছে সঠিক বলে মনে হয়েছে।
আরও খবর
বিধায়কের ছোট্টো প্রয়াস(Bhatar BJP MLA)
তাঁর কথায়, সরকারি অর্থ না নেওয়া কোনও বড় দাবি নয়, বরং সরকারের করের টাকা বাঁচানোর ক্ষেত্রে তাঁর “ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা” মাত্র। জনপ্রতিনিধি হিসেবে ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার পরিবর্তে নিজের দায়িত্ব ও সামর্থ্যের জায়গা থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই মানসিকতাই সৌমেন কারফা পোস্টের মূল বার্তা। রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সরকারি কোষাগারের অর্থ সাশ্রয়ের এই ছোট্ট উদ্যোগ যে জনপ্রতিনিধিদের কাছে একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরেছেন তিনি।



