Bengal Liberty
কাজ দেওয়ার কথা বলে প্রথমে(Child Abduction)বিশ্বাস অর্জন, তারপর সুযোগ বুঝে ছ’মাসের শিশুকে নিয়ে চম্পট। গড়িয়াহাট ফ্লাইওভারের নীচে বসবাসকারী এক দম্পতির শিশুকে অপহরণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে দু’জন মহিলা এবং একজন ট্যাক্সিচালক। পুলিশের দাবি, ঘটনার মূল চক্রী দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দা এক মহিলা। তাঁর বাড়ি থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে অপহৃত শিশুকে।

আসল ঘটনা(Child Abduction)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আজমিরা মোল্লা ও আলমগীর মোল্লা তাঁদের ছ’মাসের সন্তানকে নিয়ে গড়িয়াহাট ফ্লাইওভারের নীচে থাকেন। কয়েকদিন আগে তাঁদের সঙ্গে বন্দনা রায় নামে এক মহিলার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে ওই মহিলা। এমনকি শিশুটির সঙ্গেও সময় কাটাতে শুরু করেন তিনি। রবিবার সুযোগ বুঝে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে ওই মহিলা। কোনও একটি অজুহাতে আজমিরাকে তাঁর সঙ্গে ট্যাক্সিতে ওঠার কথা বলেন। সরল বিশ্বাসে রাজি হয়ে যান শিশুটির মা। কিন্তু পার্ক সার্কাসের কাছে পৌঁছে আজমিরাকে ট্যাক্সি থেকে নেমে যেতে বলা হয়। তিনি গাড়ি থেকে নামার পরই শিশুকে সঙ্গে নিয়ে ট্যাক্সিটি দ্রুত সেখান থেকে চলে যায় বলে অভিযোগ।
তদন্তকারীদের তৎপরতা(Child Abduction)
ঘটনার পরই পুলিশের দ্বারস্থ হন আজমিরা। তদন্ত শুরু করে পুলিশ আশপাশের এলাকার একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। ৫০টিরও বেশি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে ওই ট্যাক্সিকে শনাক্ত করা হয়। পরে চালককে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা। চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেই বন্দনা রায় এবং শেখ মধু নামে দুই মহিলার নাম সামনে আসে।
আরও খবর

এরপর দু’জনকেই গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, বন্দনা গড়িয়াহাটের ফুটপাতেই থাকেন। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দা শেখ মধুকেই অপহরণের মূল চক্রী বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকেই ছ’মাসের শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে।কাজ দেওয়ার নাম করে কীভাবে পরিবারের বিশ্বাস অর্জন করা হয়েছিল এবং শিশুটিকে অপহরণের পিছনে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।



