Bengal Liberty : জনগণনার কাজে নিযুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য বড় স্বস্তির খবর (Census 2027)। আগের নির্দেশ প্রত্যাহার করে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য শিক্ষা দফতর। এবার জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ‘অন ডিউটি’ হিসেবেই গণ্য করা হবে। সেনসাস কর্তৃপক্ষ যে নির্দেশ দেবে, সেই অনুযায়ীই তাঁদের কাজ করতে হবে। আগের নির্দেশে স্কুলের নিয়মিত কাজ শেষ করে জনগণনার কাজে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তা নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল ক্ষোভ। এক দিন আগেই এই নির্দেশ নিয়ে রাজ্যকে কার্যত ভর্ৎসনা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তার পরেই নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল শিক্ষা দফতর (Census 2027)।

আগের নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক (Census 2027)
১৬ অগস্ট থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ের জনগণনার কাজ শুরু হয়েছে। এই পর্যায়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন নিযুক্ত কর্মীরা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বহু শিক্ষক-শিক্ষিকাও। অভিযোগ ছিল, জনগণনার কাজে যুক্ত হলেও তাঁদের ‘অন ডিউটি’ দেওয়া হচ্ছিল না। গত ৩ অগস্ট শিক্ষা দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, স্কুলের নিয়মিত কাজ শেষ করার পর জনগণনার কাজ করতে যেতে হবে। এমনকি ছুটির দিনেও এই কাজ করার কথা বলা হয়েছিল। ফলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একসঙ্গে স্কুলের দায়িত্ব সামলে জনগণনার কাজ করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তাঁদের বক্তব্য ছিল, স্কুলের কাজ শেষ করে আবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণনার কাজ করা কার্যত অসম্ভব।

নতুন নির্দেশে স্বস্তি, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে কাজ (Census 2027)
শেষ পর্যন্ত বুধবার নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে রাজ্য শিক্ষা দফতর। সেখানে আগের নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সেনসাস কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ীই জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। ইতিমধ্যেই সেনসাস কর্তৃপক্ষের তরফে ‘অন ডিউটি’ অর্ডার দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সেনসাস কর্মী ঐক্য মঞ্চ। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত জনগণনার কাজ চলবে। ফলে নতুন নির্দেশের পর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাজের চাপ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও খবর

এদিকে ডিজিটাল সেনসাসের প্রথম পর্যায়ে সেলফ এনুমারেশনের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এবার চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ের বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহ। কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, মোট ৪০টি প্রশ্নের উত্তর সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে জাতি, ধর্ম, কোভিড টিকাকরণ, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ বিভিন্ন তথ্য জানতে চাওয়া হবে। সেই তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বেই এবার মাঠে নেমেছেন সেনসাস কর্মীরা।
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/08/19/firhad-hakim-9/


