Bengal Liberty
কলকাতা(Congress)পুরসভা ও রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এবার সরব হল পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস। শনিবার একসঙ্গে তিনটি চিঠি পাঠিয়ে পুরসভা ও রাজ্য সরকারের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস।

কংগ্রেসের তরফে একটি চিঠি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে পাঠানো হয়েছে। সেখানে কলকাতা পুরসভার কর্মীদের বেতন সংক্রান্ত সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, পুরসভার বিভিন্ন বিভাগের কর্মীরা সময়মতো বেতন ও প্রাপ্য মজুরি পাচ্ছেন না। এর ফলে পুর পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে কলকাতার সাধারণ মানুষের উপর। একদিকে পুরসভার কর্মীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়ছেন, অন্যদিকে নাগরিক পরিষেবাও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। পরিস্থিতির দ্রুত সমাধানে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।
বেতন, চাকরি ও পুরসভা সীমানা নিয়ে সরব প্রদেশ কংগ্রেস(Congress)
পাশাপাশি, পৃথক একটি চিঠিতে চাকরিপ্রার্থীদের সমস্যা নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের আবেদন জানানো হয়েছে। ২০১৬ সালের এসএসসি, গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-সহ চাকরিহারা শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের সমস্যা নিয়ে এই চিঠি। কংগ্রেসের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে চাকরি হারিয়ে বহু মানুষ চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।সম্প্রতি শিয়ালদহ থেকে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীদের মিছিলের প্রসঙ্গ তুলে তাঁদের বৈধ চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য দ্রুত আলোচনা শুরু করার দাবি জানানো হয়েছে।চিঠিতে শিক্ষকদের সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে কংগ্রেসের দাবি, চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জীবনে স্বাভাবিকতা ফেরাতে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
আরও খবর

অন্যদিকে, আরও একটি চিঠি কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ও পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে পাঠানো হয়েছে পুরসভার নতুন সীমানা পুনর্বিন্যাস নিয়ে।কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রস্তাবিত একাধিক ওয়ার্ডে একই রাস্তার নাম থাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। বুথগুলির সঠিক সীমানা এবং প্রয়োজনীয় মানচিত্র প্রকাশের দাবি জানিয়ে ১৩ অগস্টের মধ্যে তা প্রকাশ করার আবেদন জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডের কাছে পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে চিঠি দিয়েছিল কংগ্রেস। সেখানে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত একাধিক তথ্য প্রকাশ্যে আনার আবেদন করা হয়েছিল। ফের এই তিনটি ইস্যুকে সামনে রেখে প্রশাসনের উপর চাপ বাড়াল প্রদেশ কংগ্রেস।



