Bengal Liberty
রাজ্যে নির্বাচন উত্তর পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক সৌজন্য নাকি রাজনৈতিক সমীকরণের নতুন চাল? (Dilip Ghosh) বহরমপুরের রবীন্দ্রসদনে আয়োজিত পঞ্চায়েত দপ্তরের প্রশাসনিক বৈঠক ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা তুঙ্গে। শুক্রবারের এই বৈঠকে মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খান এবং জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমানের কবজিতে রাখি পরিয়ে দিলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। ছবিটা সৌজন্যের হলেও, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ এর মধ্যে অন্য অর্থ খুঁজছেন।

রাখি ঘিরে নতুন জল্পনা
রাজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে সব দলের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার বার্তা আগেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই পথ ধরেই প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি এখন দেখা যাচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কা খাওয়ার পর প্রাক্তন শাসকদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দলবদলের টানাপোড়েন যখন চরমে, ঠিক তখনই এই ঘটনা বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। একদিকে ঋতব্রত ও কালীঘাট গোষ্ঠীর টানাপোড়েন, অন্যদিকে বেশ কয়েকজন সাংসদের এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার খবরের মাঝে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক অলিন্দে ধোঁয়াশা কাটেনি। এই আবহে বিজেপির প্রভাবশালী মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের হাতে তাঁদের রাখি পরার দৃশ্য স্বাভাবিকভাবেই নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
আরও খবর

যদিও রাখি পরানো প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি দিলীপ ঘোষ। তবে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বন্দে মাতরম ও রাখিবন্ধনের মেলবন্ধন নিয়ে নিজের মতামত জানান। তাঁর বক্তব্য, “আমরা রাখিবন্ধনও করছি, বন্দে মাতরমও গাইছি। যাঁরা এতদিন গাইতেন না, তাঁরাও আজ গাইছেন। এটাই তো আসল পরিবর্তন।” একইসঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি মন্তব্য করেন, এই বাংলাতেই যদি বন্দে মাতরম না গাওয়া হয়, তবে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

উল্লেখ্য, এ দিনই যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডে ১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম গাওয়ার বিশেষ কর্মসূচিতে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও।


