Bengal Liberty: মাইক্রোসফটের (Microsoft) বড় ঘোষণা। দেশকে সাহায্য করতে কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিল মাইক্রোসফট। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের
সঙ্গে বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন মাইক্রোসফট (Microsoft) প্রধান সত্য নাদেলা।
বিনিয়োগের পরিমাণ (Microsoft)
মাইক্রোসফট (Microsoft) প্রধান সত্য নাদেলা (Satya Nadella) জানান, এশিয়ায় সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হিসেবে ভারতে ১৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঢালতে চলেছে মার্কিন সফ্টওয়্যার সংস্থা। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা। এআই-কেন্দ্রিক ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ‘সোভারেন ক্যাপাবিলিটি’ গড়ে তুলতেই এই বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ করা হবে বলে জানান তিনি।
নাদেলার বলেন, “ ভারতের এআই-বিপ্লব চলছে, এটা দেখে আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। দেশের ভবিষ্যৎ লক্ষ্যে সাহায্য করতে মাইক্রোসফট ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। এটা এশিয়ায় আমাদের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।”
প্রত্যুত্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন ,“এআই নিয়ে বিশ্ব ভারতের দিকে আশাবাদী দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে! ভারতের তরুণ প্রজন্ম এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবনের নতুন দিক খুলবে”
প্রেস বিবৃতি (Microsoft)
বেঙ্গালুরুতে তৈরি হচ্ছে বিশাল এআই-ইনফ্রা, যেখানে থাকবে হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার (Hyperscale Data Centres) । কোম্পানির তরফ থেকে প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আগেই ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছিল,যা দিয়ে বেঙ্গালুরুতে ক্লাউড ও এআই পরিকাঠামো তৈরি, ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণ এবং স্কিল ডেভেলপমেন্টের কাজ চলবে। নতুন করে ১৭.৫ বিলিয়ন ডলারের ঘোষণা করা হয়েছে, এই নতুন বিনিয়োগ শেষ হলে মাইক্রোসফটের ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বড় হাইপারস্কেল তৈরি করা হবে।
কোম্পানি আরও জানিয়েছে আগামী চার বছরে ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এশিয়ার বৃহত্তম প্রতিশ্রুতি। ভারত এখন ‘ফ্রন্টিয়ার এআই নেশন’ (Frontier AI Nation) হিসেবে উঠে আসছে।
আরও খবর
গত অক্টোবরেই গুগল সিইও সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai) জানান, বিশাখাপত্তনমে (Visakhapatnam AI Hub) এআই-কেন্দ্রিক তাদের বৃহত্তম বিদেশি হাব তৈরি হবে। অপরদিকে অ্যামাজন (Amazon Web Services) ভারতে ডেটা সেন্টার নেটওয়ার্ক তৈরি করতে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। আবার মাইক্রোসফটের প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের এই বিনিয়োগে ভারতের ডিজিটাল অবকাঠামো আরও গতি পাবে। পাশাপাশি এআই-ভিত্তিক দক্ষ কর্মশক্তি, গবেষণা ও প্রযুক্তি-উন্নয়নের পরিসর বাড়বে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।


