Bengal Liberty
বারুইপুরে ১২ বছরের (Naushad Siddiqui) এক নাবালিকার নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এবার এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তাঁর অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ এবং নারী নিরাপত্তার বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও কেন এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

নওশাদের দাবি(Naushad Siddiqui)
নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশ যদি যথাসময়ে সক্রিয় হতো, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত। তাঁর অভিযোগ, নিখোঁজের ডায়েরি করা হলেও পুলিশ দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এর পাশাপাশি তিনি আরও একটি গুরুতর প্রশ্ন তোলেন— গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তদের কার নির্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল? পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার যদি সত্যিই অপরাধ দমনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, তাহলে প্রতিটি ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করা উচিত।

বারুইপুর কাণ্ডের তদন্তে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশ(Naushad Siddiqui)
অন্যদিকে, বারুইপুর কাণ্ডের তদন্তে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও নেপথ্যের পুরো ষড়যন্ত্রটি উদঘাটন করতে তদন্তকারীরা ধৃতদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। পাশাপাশি, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৬ সদস্যের একটি বিশেষ দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। এই বিশেষ দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছেন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলছেন। তদন্তের স্বার্থে কোনো ফাঁক রাখতে চাইছে না পুলিশ।
আরও খবর

এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা আরও জোরালো হয়েছে। মঙ্গলবার বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছে। আজ (মঙ্গলবার) বিকেলেই নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। একদিকে পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি, অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ— সব মিলিয়ে বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি এখন সরগরম।


