Bengal Liberty : পুলিশের সহযোগিতা ছাড়া বড়সড় কোনও পাচারচক্র দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারে না-এমন অভিযোগ নতুন নয় (Tulu Mondal)। পশ্চিমবঙ্গে অতীতে কয়লা, গরু, বালি ও পাথর পাচারের একাধিক মামলায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবার বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বেআইনি পাচার মামলাতেও সেই অভিযোগ ফের সামনে এল। অভিযোগের জেরে মহম্মদবাজার থানার দুই সাব-ইনস্পেক্টরকে ক্লোজ করা হয়েছে (Tulu Mondal)।

দুই সাব-ইনস্পেক্টরকে ক্লোজ (Tulu Mondal)
বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বেআইনি পাচার সংক্রান্ত তদন্তে নতুন করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার মহম্মদবাজার থানার দুই সাব-ইনস্পেক্টর সানাউর হোসেন ও আব্দুল আলিমকে ক্লোজ করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ তদন্তের কেবল শুরু। তাঁদের দাবি, কয়েকশো কোটি টাকার সম্পত্তি, বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না, প্রায় ২৫০টি গাড়ি এবং প্রায় ৩০০ একর জমির সাম্রাজ্য গড়ে তোলা কোনও ব্যক্তির পক্ষে প্রশাসনের অজান্তে সম্ভব নয়। ফলে এই ঘটনায় পুলিশের আরও উচ্চস্তরের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি উঠছে।

পুলিশ সূত্রে অভিযোগ, ওই দুই সাব-ইনস্পেক্টর টুলু মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের সদস্য ছিলেন। টুলুর বিরুদ্ধে জমি দখল-সহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে সাধারণ মানুষ থানায় গেলে তাঁদের নাকি ওই দুই অফিসারের কাছেই পাঠানো হত। অভিযোগ, টুলুর হয়ে অভিযোগ মেটানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয় ‘ম্যানেজ’-এর দায়িত্বও তাঁরাই সামলাতেন। এমনও অভিযোগ উঠেছে, কোন পদস্থ আধিকারিকের কাছে কত টাকা বা কী ধরনের সুবিধা পৌঁছবে, সেই বিষয়েও এই দুই অফিসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন। তদন্তকারীদের দাবি, টুলু মণ্ডলের আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তি এবং প্রশাসনের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত যত এগোবে, ততই এই মামলায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারী মহল।
আরও খবর
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/08/03/tulu-mondal-5/


