new four labour codes
Bengal Liberty: সম্প্রতি কার্যকর হওয়া শ্রম আইনকে নিয়ে চারিদিকে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কেউ একে নরেন্দ্র মোদির “মাস্টারস্ট্রোক” বলে দাবি করছেন। আবার সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ আইনের বিভিন্ন ত্রুটি তুলে ধরে পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন।
সরকারের জারি করা প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নতুন এই আইন শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, নারী-পুরুষ সমতা এবং স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
১)সংস্থাগুলিকে স্বাধীনতা প্রদান সরকারের (New labour law 2025)
নতুন আইনে ব্যবসার জন্য প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানো হয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলি অতিরিক্ত সরকারি অনুমোদন ছাড়াই আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে।
২)কর্মক্ষেত্রে নারী-সমতা বৃদ্ধি পাবে(New labour law 2025)
গ্রিভান্স রিড্রেসাল কমিটিতে নারীদের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে নারীদের নিরাপত্তা, সমতা এবং সংবেদনশীল বিষয়গুলি নিষ্পত্তিতে জোর দেওয়া হবে। নারী কর্মীরা নিজেদের প্রতিনিধিত্ব থাকায় আরও নিশ্চিন্তে উদ্বেগ বা অভিযোগ জানাতে পারবেন।তাতে আস্থা বাড়বে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় ছুটি ও রাতে কর্তব্যরত মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়ে জোর দেওয়া হবে।
৩)ওয়ার্ক ফ্রম হোমের জন্য বিশেষ বিধান (New labour law 2025)
নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে সম্মতিতে বাড়ি থেকে কাজের ব্যবস্থাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। মহিলা কর্মীদের জন্য এটি বড় সুবিধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৪)৩০০ কর্মীর নিচে সংস্থাগুলিকে বিশেষ ছাড় (New labour law 2025)
৩০০ জন বা তার বেশি কর্মী থাকা শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই এখন থেকে সার্টিফায়েড স্ট্যান্ডিং অর্ডার বাধ্যতামূলক (আগে যা ছিল ১০০ কর্মী)। এতে ছোট ও মাঝারি শিল্পের উপর থেকে কঠোর বিধিনিষেধের চাপ কমবে। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, এই পরিবর্তনে একটি নেতিবাচক দিকও রয়েছে। কারণ ৩০০-এর নিচে কর্মী থাকা সংস্থাগুলিকে আর এ বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে না। ফলে ইচ্ছেমতো ছাঁটাই করার সুযোগ বাড়তে পারে, যা শ্রমিকদের জন্য অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকি বাড়াবে।
৬)ডিজিটাল সিস্টেমে জোর (New labour law 2025)
শ্রম কোড আইনে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন, রেকর্ড সংরক্ষণ এবং ডিজিটাল কমিউনিকেশনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে দুর্নীতি ও কারচুপি কমবে, বাড়বে স্বচ্ছতা। দ্রুত নথিভুক্তিকরণ, কম কাগজপত্র এবং প্রশাসনিক খরচ সাশ্রয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেওয়ার সম্ভবনা প্রবল।
নতুন শ্রম আইন দেশে শিল্প ও কর্মসংস্থানের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করবে বলে আশাবাদী ভারত সরকার।

