Polling Booth Guidelines
Bengal Liberty: বহুতল আবাসনগুলিতে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি নিয়ে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও)-দের ভুমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। নতুন ভোটগ্রহণ কেন্দ্র নিয়ে কেন কোনও আবেদন জমা পড়েনি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল নির্বাচন কমিশন। বহুতলে বুথ করতে হবে এমন নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ ২৫০টি বাড়ি অথবা ৫০০ জন ভোটার রয়েছেন এমন বহুতল ভবন, গ্রুপ হাউজিং সোসাইটি, কলোনি, বস্তি এলাকা এবং গেটেড সোসাইটিতে নতুন ভোটগ্রহণ তৈরি নিয়ে সমীক্ষা করতে হবে। গত সোমবার ছিল রিপোর্ট দেওয়ার শেষ দিন। সব জেলা মিলিয়ে মাত্র দু’টি রিপোর্ট পাঠায় ডিইও-রা। বাকি আর কোনও জায়গা থেকেই কোনও তথ্য দিতে পারেনি জেলাশাসকরা।
এ রাজ্য থেকে মাত্র দু’টি আবেদন জমা পড়ার তথ্যই কমিশনকে অবাক করেছে বলে খবর। নতুন ভোটগ্রহণ কেন্দ্র তৈরি করা নিয়ে ডিইও-দের উদাসীন মনোভাব আছে বলেই মনে করছে কমিশন। পাশাপাশি সমীক্ষার অভাব আছে বলেও জানিয়েছে কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, দু’বার বলা সত্ত্বেও কোনও নতুন ভোটকেন্দ্রের প্রস্তাব পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাদের কাছে পাঠানো হয়নি। তাতেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কমিশন।
সিইওকে চিঠি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে (SIR)
বুধবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালকে চিঠি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি খুবই গুরুতর। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন মনে করিয়ে দিয়ে কমিশন বলেছে, ডিইও-দের আইন মানা বাধ্যতামূলক। তাদের নির্দেশ, নতুন করে সমীক্ষা করার পর প্রস্তাবিত বুথের তালিকা জমা দিতে হবে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই কাজ করতে হবে ডিইও-দের। এই নির্দেশ অমান্য হলে কড়া অবস্থান নেওয়ারও হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কমিশন।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে মোট বুথ সংখ্যা বাড়ার কথা রয়েছে। সেই অনুযায়ী আবাসনের বাসিন্দাদের সুবিধার্থে যে কোনও আবাসনে ২৫০টি বাড়ি অথবা ৫০০ জন ভোটার থাকলে সেই আবাসন চত্বরের ভিতরেই পৃথক ভোটকেন্দ্র তৈরি করে পরিকল্পনা নিয়েছিল। যদিও এই প্রস্তাব নিয়ে প্রবল আপত্তি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা CEO দপ্তর আবাসনে বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত যাতে পিছিয়ে না আসে, সে ব্যাপারে জোরালো দাবি করে।
