Strict Action against Yuva Bharati Incident
Bengal Liberty: তদন্তের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। যুবভারতী কাণ্ডে প্রশাসনিক তদন্তে প্রয়োজনে মন্ত্রীদের পাশাপাশি পুলিশের শীর্ষ কর্তা ও আমলাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে, সাফ জানিয়ে দিল রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ মহল। যুবভারতী কাণ্ডের প্রশাসনিক গাফিলতি খুঁজতে গিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের একাধিক কর্তাদের শোকজ করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের ডিজি (DG) রাজীব কুমার, বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্যের ক্রীড়া সচিবের মতো শীর্ষ আধিকারিকদের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে আগেই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল ৷ ইতিমধ্যেই তাঁরা শোকজের জবাব দিলও সেই শোকজের জবাবে এই শীর্ষ কর্তারা ঠিক কী লিখেছেন, তা নিয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ নবান্ন (Strict Action against Yuva Bharati Incident)।
সিট গঠন (Strict Action against Yuva Bharati Incident)
কিন্তু এতেই থামতে নারাজ রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলকে (SIT) আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরবর্তী রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। শুক্রবার নবান্ন সূত্রে খবর, এই কমিটি এবং তাদের সহযোগী সিট (SIT)-এর স্ক্যানারে থাকছেন একাধিক হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি ৷ অর্থাৎ যুবভারতীর বিশৃঙ্খলা নিয়ে নবান্ন যে কঠোর অবস্থানে আছে, তা স্পষ্ট (Strict Action against Yuva Bharati Incident)।
তদন্তের স্বচ্ছতায় প্রশাসনের পাখির চোখ (Strict Action against Yuva Bharati Incident)
নবান্ন চার সদস্যের সিট গঠন করেছে। সিটে রয়েছেন দক্ষিণবঙ্গের ডিজি সুপ্রতিম সরকার, আইপিএস পীযূষ পাণ্ডে, কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান মুরলীধর শর্মা ও এডিজি জাভেদ শামিম। পরে সিটের সদস্য সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।তদন্তের স্বার্থে এবং আরও দ্রুত সত্য উদঘাটনের জন্য প্রয়োজনে আধিকারিক নিয়োগ করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে (Strict Action against Yuva Bharati Incident) ৷
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম রায়ের নেতৃত্বাধীন মূল কমিটি ইতিমধ্যেই তাঁদের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিয়েছে ৷ তবে, তদন্ত এখনও শেষ হয়নি ৷ নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই কমিটি তাদের দ্বিতীয় রিপোর্টটি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা দিতে চলেছে ৷ মূলত, চারটি সাব-কমিটি এবং সিট-এর তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতেই এই দ্বিতীয় রিপোর্ট তৈরি করা হবে ৷
যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে আপাতত অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে অরূপ বিশ্বাসকে ৷ এতেই থামতে নারাজ রাজ্য সরকার। শুক্রবার নবান্ন সূত্রে যে ইঙ্গিত মিলল তাতে বলাই বাহুল্য, তদন্ত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না-কেউই ৷

