CJP protest
Bengal Liberty : প্রায় এক মাসের টানা আন্দোলনের পর বড় সাফল্যের দাবি করল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP protest)। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর আন্দোলনকারীদের আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে লিখিত আশ্বাস দিল কেন্দ্র। মামলা প্রত্যাহার থেকে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে যৌথ উদ্যোগ, একাধিক প্রতিশ্রুতির পরই যন্তরমন্তরের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করল সংগঠন। ফলে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার অবসানের ইঙ্গিত মিলল (CJP protest)।

লিখিত আশ্বাস দিল কেন্দ্র (CJP protest)
শুক্রবার কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা তিনটি প্রধান দাবি সামনে রাখেন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও নতুন মামলা না করা, ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া মামলাগুলি প্রত্যাহার এবং নিট প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মহত্যা করা পড়ুয়াদের পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে পাঁচ দফা প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়। শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর ফের বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং। বৈঠক শেষে জেপি নাড্ডা জানান, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্রদের বিরুদ্ধে আর কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হবে না। দিল্লি এবং বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে এই আন্দোলনকে ঘিরে দায়ের হওয়া এফআইআরও প্রত্যাহার করা হবে। এই প্রতিশ্রুতি লিখিত আকারে আন্দোলনকারীদের হাতে তুলে দেয় কেন্দ্র।

আন্দোলন প্রত্যাহার (CJP protest)
আত্মহত্যাকারী পড়ুয়াদের পরিবারের জন্য ১ কোটি করে আর্থিক সহায়তার দাবি নিয়ে কেন্দ্র জানায়, আইন অনুযায়ী যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আশ্বাসও দেয় সরকার। নীতিগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ছাত্রদের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
কেন্দ্রের এই লিখিত আশ্বাসের পর ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেন। তাঁদের বক্তব্য, সরকারের পক্ষ থেকে দাবিগুলি কার্যত মেনে নেওয়া হয়েছে। তাই আন্দোলনের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে বাড়ি ফিরে যাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়। এর ফলে যন্তরমন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় এক মাস ধরে চলা আন্দোলনের ইতি ঘটল।

আরও পড়ুন :
CJP Protest : “ঝুঁকতি হ্যায় দুনিয়া, ঝুঁকানেওলা চাহিয়ে”, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে উচ্ছ্বসিত অভিজিৎ

