Property seizure case
Bengal Liberty, Kolkata:
বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। আদালতের নির্দেশ মেনেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি করা হলেও, হুমায়ুন কবীর ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ গোটা ঘটনাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

ঠিক কী ঘটেছে?
প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে সোমবার ভগবানগোলা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুর শরিফুল ইসলামের নামে থাকা একাধিক সম্পত্তি চিহ্নিত করে বাজেয়াপ্ত করা হয় (Property seizure case)।
তদন্তকারী মহলের দাবি, বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির আর্থিক উৎস স্পষ্ট নয় এবং প্রাথমিক তদন্তে বিপুল অঙ্কের হিসাববহির্ভূত সম্পদের তথ্য সামনে এসেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে সম্পত্তি ঘিরে দেয় এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে।
জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মধ্যে জমি, বাড়ি ও ব্যবসায়িক সম্পদ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পরিবারের ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়েও খোঁজখবর চালানো হচ্ছে বলে তদন্ত সূত্রে খবর।

এই বিষয়ে কী বললেন হুমায়ুনের মেয়ে?
এই প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবিরের মেয়ে নাজমা সুলতানা বলেন, ‘‘বেশ কয়েকদিন থেকে পুলিশ নজরদারি চালাচ্ছিল। আমরা পুলিশের গতিবিধি দেখছিলাম। হাইকোর্টে কেসও চলছে। রাজনৈতিকভাবে বাবার কোনও ক্ষতি করতে পারছিল না। তাই আমাদের ক্ষতির চেষ্টা করা হচ্ছে। বাবাকে সামনে রেখেই এটা করা হচ্ছে। সবটাই করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।’’ হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘‘আমাকে দমাতে সব রকমের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমিও দেখতে চাই জল কতদূর গড়ায়।’’ (Property seizure case)
Humayun Kabir এর Babri যাত্রা প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু? | Bengal Liberty | Suvendu Adhikari #suvenduadhikari #HumayunKabir #WestBengalElections #bengalliberty pic.twitter.com/5tfODepTpj
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 8, 2026
এই ঘটনাকে ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন সত্যিই কি বেআইনি আর্থিক লেনদেন যোগের প্রমাণ মিলেছে, নাকি রাজনৈতিক সমীকরণের লড়াইয়ে টার্গেট করা হচ্ছে হুমায়ুন কবীরের পরিবারকে? একদিকে প্রশাসনের দাবি, আইনি প্রক্রিয়া মেনেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে হুমায়ুন শিবিরের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিতভাবে চাপ তৈরির চেষ্টা।
তদন্তের অগ্রগতি, আদালতের পরবর্তী পর্যবেক্ষণ এবং প্রমাণের ভিত্তিতেই পরিষ্কার হবে অভিযোগ কতটা বাস্তব, আর কতটা রাজনৈতিক সংঘাতের অংশ। আপাতত নজর তদন্তের ওপর।

