AERO Suspension Controversy
Bengal Liberty Desk, ১৮ ফেব্রুয়ারি: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya)। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) নথি যাচাইয়ে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সরাসরি চাকরি থেকেই ৭ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে (AERO) সাসপেন্ড করেছে (AERO Suspension Controversy)। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যাঁদের ডিমোশন করবে, তাঁদের আমরা প্রমোশন দেব।” এই মন্তব্য প্রসঙ্গেই বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে “ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তিকর” আখ্যা দিয়েছেন (AERO Suspension Controversy)।
এক্স পোস্টে কী দাবি অমিত মালব্যর (AERO Suspension Controversy)?
Yesterday, West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee claimed that she would “absorb” the seven AEROs suspended by the Election Commission of India for dereliction of duty into other functions of the state government.
This is deeply misleading.
The suspension of these officers… pic.twitter.com/QMsiD76Ryd
— Amit Malviya (@amitmalviya) February 18, 2026

বিজেপির আইটি সেলের প্রধান নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দাবি করেন, নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বে নিযুক্ত আধিকারিকরা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধান ও শৃঙ্খলাবিধির আওতায় থাকেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২১ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালের রায়ে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court of India) স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের ওপর নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে (AERO Suspension Controversy)।
আরও পড়ুন (AERO Suspension Controversy)
SIR-এ অনিয়মের অভিযোগে এবার ৭ AERO সাসপেন্ড, (7 AERO Suspended by ECI) নজিরবিহীন পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের
SIR নিয়ে বড় ধাক্কা রাজ্যের, (ECI on WB SIR Group-B Officers) ৮৫০৫ গ্রুপ ‘বি’ অফিসারের তালিকা নবান্নে ফেরত পাঠাল নির্বাচন কমিশন
এছাড়া, একাধিক ধরার উল্লেখ করেন বিজেপি নেতা। ১৯৫০ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act), ধারা ১৩CC, ১৯৫১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আইন, ধারা ২৮A ধরার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী কাজে যুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের রয়েছে’। মালব্যের বক্তব্য, কোনও রাজ্য সরকার এই সাংবিধানিক ও আইনি ক্ষমতাকে খর্ব বা অগ্রাহ্য করতে পারে না (AERO Suspension Controversy)।
শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ (AERO Suspension Controversy)
বিজেপি নেতার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে পাশ কাটানোর চেষ্টা করা হলে তা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ভিত্তিকেই দুর্বল করে। তাঁর মতে, “নির্বাচনী সততা কখনও রাজনৈতিক সুবিধার অধীন হতে পারে না।” সরকারি কর্মচারীদের প্রথম আনুগত্য সংবিধানের প্রতি হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি (AERO Suspension Controversy)।


