In the memories of Tapas Paul
Bengal Liberty Desk, ১৮ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা: মৃত্যু চিরন্তন সত্য, কিন্তু প্রিয় মানুষটিকে হারানোর শূন্যতা যে কোনো মাপকাঠি দিয়েই মাপা যায় না। আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি। ২০২০ সালের এই দিনেই টলিউড হারিয়েছিল তাঁর ‘দাদার কীর্তি’-র নায়ক তাপস পালকে (In the memories of Tapas Paul)। কেটে গিয়েছে ছয়টি বছর ,তবে তাঁর স্ত্রী নন্দিনী মুখোপাধ্যায়ের কাছে সেই স্মৃতি আজও দগদগে।
অভিনেতার ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে (6th Death Anniversary) নেই কোনো বড়ো আড়ম্বর বরং নিভৃতে নিজের মনের জমানো অনুভূতি গুলোই সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন নন্দিনী। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে এক গভীর হাহাকার আর ভালোবাসার মানুষকে আগলে রাখার গল্প।
আরো পড়ুন: Amit Shah at ISKCON: ইসকনের গীতা আন্দোলনকে সমর্থন অমিত শাহর

স্মৃতিতে আজও অমলিন ‘তাপস’ (In the memories of Tapas Paul)
নন্দিনী জানিয়েছেন, ক্যালেন্ডারের তারিখ ১৮ হলেও তাঁর কাছে লড়াইটা শুরু হয়েছিল ১৭ তারিখ রাত থেকেই। তিনি আজও সবার সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করেন, হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করেন, নিজেকে সামলে চলেন। কিন্তু মনের সবটুকু জায়গা জুড়ে রয়েছেন শুধু তাঁর প্রিয় ‘তাপস’। তাঁর নিশ্বাস আর প্রার্থনার মধ্যেই যেন অমর হয়ে আছেন অভিনেতা।
পুনর্জন্মের বিশ্বাস ও এক অজানা ভয়। (In the memories of Tapas Paul)
Speaker Biman Bandyopadhyay: স্পিকারের রাজনৈতিক বক্তব্য।@SuvenduWB @BJP4India @BJP4Bengal @MamataOfficial @AITCofficial @bengalliberty #TMC #BJP #bimanbandyopadhyay #suvenduadhikari #MamataBanerjee pic.twitter.com/hkUw3MAguk
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 18, 2026
নন্দিনী ভীষণভাবে পুনর্জন্মে বিশ্বাস করেন। তিনি মনে করেন, কোনো এক জীবনে, কোনো এক শহরে তাঁদের আবার দেখা হবে। তবে এই আশার আড়ালে এক অদ্ভুত ভয়ও তাঁকে তাড়া করে। যদি পরের জীবনে এই জীবনের কোনো স্মৃতিই মনে না থাকে? এই গভীর সম্পর্কের কথা যদি দুজনেই ভুলে যান? এই দোলাচল যেমন তাঁকে সান্ত্বনা দেয়, তেমনি এক বুক কষ্টও দেয়।

শেষ ছোঁয়াটুকু পাওয়ার আকুতি (In the memories of Tapas Paul)
প্রিয় মানুষের গলার আওয়াজ আর একবার শোনার ইচ্ছে বা তাঁকে চোখের সামনে দেখার আকাঙ্ক্ষা মানুষের কোনোদিন শেষ হয় না। নন্দিনীও তার ব্যতিক্রম নন। তিনি জানেন, ছয় বছর আগের সেই শেষ দিনটিই ছিল তাদের শেষ দেখা (Last Farewell)। তবুও নিজের মনের জোরে তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর প্রিয় ‘তাপস’ তাঁর হৃদয়ে ছিলেন এবং আজীবন থাকবেন।
টালিগঞ্জের সেই চিরচেনা নায়ক আজ নেই, কিন্তু নন্দিনীর এই সাধারণ অথচ গভীর অনুভূতি (Emotions) আমাদের আরও একবার মনে করিয়ে দিল—মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালোবাসা বেঁচে থাকে আজীবন।


