Political clash Dumdum
Bengal Liberty Desk, ২২ মার্চ, কলকাতা:
জমজমাট রবিবারের ভোট প্রচার (Political clash Dumdum)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠে-ময়দানে ভোট প্রচারে নেমে পড়েছেন প্রার্থীরা। অন্যতম হেভিওয়েট আসন দমদম বিধানসভা কেন্দ্রে বাম প্রার্থী ময়ূখ বিশ্বাস জোরকদমে নিজের আশা-ভরসার কথা মানুষের সামনে তুলে ধরছেন। খুব পিছিয়ে নেই দমদম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী আইনজীবী অরিজিৎ বক্সী। ফুল-মালা দিয়ে বরণ করে স্বাগত জানানো হচ্ছে প্রার্থীকে। দমদমে বিজেপির চরম উন্মাদনা অরিজিৎ বক্সীকে ঘিরে।
যখন বিরোধীরা জোর প্রচারে ব্যস্ত, তখন অপরদিকে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ও তিন বারের বিধায়ক ব্রাত্য বসু প্রচারের আড়ালে এখনও তেমন কোনো সাড়া ফেলতে পারেনি। মনে হচ্ছে যেন লড়াইয়ের আগেই ব্রাত্য বসু ভোটের ময়দান ছেড়ে পালিয়েছেন।
দমদমে প্রেস্টিজ ফাইট Political clash Dumdum
শাসক দলের কাছে অবশ্যই দমদম খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। দমদম লোকসভার সাংসদ সৌগত রায়ও এই কেন্দ্র থেকেই জয়ী। তাই স্বাভাবিকভাবেই ভোট যুদ্ধের আগে জমজমাট প্রচারে মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাইছেন সব পক্ষই।

ভোট প্রচারেও অভিযোগ
বিজেপি ও সিপিএম সরাসরি শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যে সমস্ত দেওয়াল তৃণমূল দখল করে নিয়েছে। একাধিকবার বিজেপির পতাকা খুলে ফেলার অভিযোগও উঠেছে। কিন্তু তা সত্বেও জোর কদমে শাসক দলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠছেন অরিজিৎ বক্সী।
দমদম ভোট যুদ্ধের ইতিহাস
বিজেপির তপন সিকদার প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গের দমদমে পদ্ম ফুটিয়েছিলেন। সেই দমদম ফের জিততে মরিয়া বিজেপি। আগেরবার শিক্ষক বিমল শঙ্কর নন্দ কড়া টক্কর দিয়েও হার মানতে হয়েছিল ব্রাত্য বসুর কাছে।
১৯৭৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত দমদম বাম দুর্গের শক্ত ঘাঁটি বলেই পরিচিত ছিল। কিন্তু ২০১১ সালে পালাবদল ঘটে—সিপিএমের হেভিওয়েট প্রার্থী গৌতম দেবকে প্রায় ৩২ হাজার ভোটে পরাজিত করেছিলেন ব্রাত্য বসু। তারপর থেকে তৃণমূলের আধিপত্য থাকলেও রিগিং ও হিংসার জোরালো অভিযোগ বারবার উঠেছে। এখন দেখার ২০১১ সালের মতো নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হয় কি না।
আবহাওয়া যত গরম হবে ততই গরম হবে রাজনীতির ময়দান। ত্রিমুখী লড়াইয়ে কোন পক্ষ করবে বাজিমাত তা জানা যাবে খুব তাড়াতাড়ি।
