Hindu saints harassment
Bengal Liberty , কলকাতা:
নির্বাচনের প্রাক্কালে খোদ কলকাতার বুকে সাধুসন্তদের ওপর হামলা। ভবানীপুরের পদ্মপুকুর এলাকার একটি আশ্রমে থাকা গেরুয়াধারী সন্ন্যাসীদের ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব স্থানীয় গুন্ডাদের বিরুদ্ধে (Hindu saints harassment)। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে, সাধুদের মুখ নিঃসৃত জয় শ্রী রাম কিংবা হার হার মহাদেব নাম কি তবে রাজনীতির পরিচয়?এমন নিন্দনীয় ঘটনাকে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে তুলনা করে সরব হয়েছে বিজেপি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
.
বাংলাদেশের তদানীন্তন ইউনূস-সরকারের ছায়া যেন ভবানীপুরে দেখা যাচ্ছে!
ভবানীপুরের পদ্মপুকুর এলাকার একটি আশ্রমে আগত কিছু সাধুসন্ত কালিঘাট ও আশেপাশের এলাকায় সনাতন ধর্মের প্রচার করছিলেন।
কিন্তু আজ সেখান থেকে তাঁদের অসম্মান করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয় এবং পরে ভবানীপুর… pic.twitter.com/5fKSn9s7vK— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) April 10, 2026
ঘটনার প্রসঙ্গ Hindu saints harassment
ভবানীপুরের পদ্মপুকুর এলাকার একটি আশ্রমে বেশ কিছু সাধুসন্ত অবস্থান করছিলেন। তাঁরা কালীঘাট ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সনাতন ধর্মের প্রচার ও নাম-কীর্তন করছিলেন। অভিযোগ, আজ ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু তাঁর অনুগামীদের নিয়ে আশ্রমে চড়াও হন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, সন্ন্যাসীদের পোশাকের কলার ধরে টানাটানি করা হচ্ছে এবং তাঁদের ‘চোর’ অপবাদ দিয়ে আশ্রম থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

অত্যাচারের অভিযোগ
আশ্রমের আবাসিক ও সাধুদের দাবি গেরুয়াধারী সাধুদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এমনকি শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ উঠে এসেছে। আশ্রমে উপস্থিত এক সাধু অভিযোগ করেছেন, আশ্রমের জল এবং বিদ্যুৎ সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে। সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে এক ভীত সন্ন্যাসীকে বলতে শোনা গিয়েছে, “হিন্দু হওয়া কি অপরাধ? ভগবানের নাম করা কি অপরাধ? আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”

তোষণের অভিযোগ
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত আনা হয়েছে। এর যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত।’ “ভবানীপুরে কি সনাতন ধর্ম প্রচার করা অপরাধ? মাননীয়া কি তোষণের স্বার্থে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বাড়িয়ে দিচ্ছেন?” বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে, “সনাতনীদের আত্মসম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধ হোক, প্রতিটি অন্যায়ের হিসাব নেওয়া হবে।”
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ইতিপূর্বেই ভাইরাল হয়েছে, যেখানে কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে ধস্তাধস্তির ছবি স্পষ্ট। যদিও তৃণমূল গা বাঁচাতে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজ বলছে অন্য কথা।
