Humayun Kabir
Bengal Liberty, ২৩ এপ্রিল :
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটের দিন সকাল থেকেই রাজনৈতিক উত্তাপে রীতিমতো ফুটছে মুর্শিদাবাদের নওদা (Humayun Kabir)। আর এই উত্তেজনার পারদ চরমে পৌঁছল যখন হুমায়ুন কবীরের কনভয়ের ওপর আছড়ে পড়ল বেলাগাম ক্ষোভ। লাঠি, বাঁশ ও বৃষ্টির মতো ছুটে আসা ইটের ঘায়ে মুহূর্তের মধ্যে নওদার রাজপথ পরিণত হল এক আস্ত রণক্ষেত্রে। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় নওদাতে। অভিযোগে কাঠগড়ায় তৃণমূল। দফায় দফায় উত্তেজনায় রীতিমতো ভোট দিতে যেতেও ভয় পাচ্ছে সাধারণ মানুষ (Humayun Kabir)।

হুমায়ুনের কনভয়ে তাণ্ডব (Humayun Kabir)
বৃহস্পতিবার সাতসকালে শিবনগর এলাকা দিয়ে যাওয়ার পথে কার্যত নজিরবিহীন হামলার মুখে পড়েন হুমায়ুন কবীর। অভিযোগের তির সরাসরি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। দলীয় পতাকা হাতে একদল উন্মত্ত জনতা আচমকাই রাস্তায় বাঁশ ফেলে তাঁর কনভয়ের গতিরোধ করে। এরপরই শুরু হয় তাণ্ডব। চোখের নিমেষে কনভয়ের একটি গাড়ি ও পোলিং এজেন্টের গাড়ি লক্ষ্য করে শুরু হয় নির্বিচার ইটবৃষ্টি। কার্যত ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় গাড়ির কাঁচ। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে প্রাণের ঝুঁকিতে পড়েন আম জনতা পার্টির নেতা খোদ হুমায়ুন কবীর। এই পরিকল্পিত হামলায় নিমেষের মধ্যে এলাকার পরিবেশ চরম অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।

পরবর্তীতে শুরু হয় হুমায়ুনকে উদ্ধারপর্ব (Humayun Kabir)
এই তাণ্ডবের জেরে পরিস্থিতি সামাল দিতে চরম বেগ পেতে হয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। উন্মত্ত তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে হুমায়ুন কবীরের অনুগামীদের হাতাহাতি ও চরম ধস্তাধস্তিতে রণং দেহি মূর্তি নেয় গোটা এলাকা। প্রাণ বাঁচাতে এবং ঘটনার প্রতিবাদে খোদ হুমায়ুন কবীর নওদার রাস্তায় বসে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের রোষের মুখে পড়ে খোদ কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকরাও চূড়ান্ত বচসা ও হেনস্থার শিকার হন। শেষমেশ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বুঝে বাধ্য হয়েই নির্বিচার লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। লাঠির ঘায়ে উন্মত্ত জনতা ছত্রভঙ্গ হলে, রীতিমতো কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে হুমায়ুন কবীরকে কার্যত উদ্ধার করে এলাকা থেকে বের করে আনে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
