Massive voter
Bengal Liberty , kolkata :
প্রথম দফাতেই নজির গড়ল বাংলা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ (৮৯.৯৩%), যা রাজ্যের নির্বাচনী ইতিহাসে রেকর্ড Massive voter। এই বিপুল পরিমাণ ভোটদান স্বস্তির না কি অস্বস্তির এবং তা যে যথেষ্ট সন্দেহের, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়ায় তা স্পষ্ট। অঙ্ক হয়তো মিলছে না মুখ্যমন্ত্রীর। এতো ভোট পড়ায় কার্যত চিন্তায় পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ! সত্যিই তো, বিষয়টা যথেষ্ট দুশ্চিন্তাজনক।
এই ভোট কাটার ভয় তো তাড়া করে বেড়াচ্ছিল তাকে এতদিন। মূলত গতবারের তুলনায় ভোটের এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মানুষ অভ্যাসের দাস ! Massive voter
এত ভোট বাদ যাওয়া নিয়ে, SIR নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়াবাড়ি কারুর অজানা নয়। বিগত বছর গুলোতে মৃত ভোটার, অনুপ্রবেশকারী, বহিরাগত, বহু বিবাহ সম্পন্ন সংখ্যালঘুদের থেকে ভোট পেয়ে অভ্যস্ত ছিলেন তিনি। এবার কমিশনের কড়া আইনে সেই সমীকরণ বদলেছে। এখানেই প্রশ্নটি এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গদি হারানোর যে দুঃস্বপ্ন মাননীয়ার পিছু কিছুতেই ছাড়ছে না, আজকের মঞ্চ থেকে বিভ্রান্তি তারই বহিঃপ্রকাশ। ভোট প্রচারে এসে বিপুল জনজোয়ার দেখে একদিকে যেমন তিনি এই অতিরিক্ত ভোটকে “বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াই” বলে অভিহিত করেছেন, অন্যদিকে এই বিপুল শতাংশের হিসাব মেলাতে গিয়ে রীতিমতো কপালে ভাঁজ মুখ্যমন্ত্রীর। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে , “এতো ভোট পড়ল কীভাবে?”

মঞ্চ থেকে কমিশন ও বিজেপিকে আক্রমণ
সমস্ত জটিলতার মধ্যেও নির্বাচন কমিশন ও গেরুয়া শিবিরের প্রতি আক্রমণাত্মক মনোভাব প্রকাশ করতে পিছপা হননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। SIR এ নাম বাদ গিয়েছিল প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের। অথচ কিভাবে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ল রাজ্যে, তা নিয়ে বেশ চিন্তিত মাননীয়া। কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এই ভোট বাংলার মানুষের প্রতিরোধের ফল, বাংলার মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার ফল।
প্রথম দফায় বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে ২.৪ লক্ষ। ফলে ৯০ শতাংশ ভোটের গন্ডি পার করলো পশ্চিমবঙ্গ। অর্থাৎ সাধারণ মানুষ ভোট দিতে চাইতো নির্বিঘ্নে কিন্তু কিছু ভয় পেত। আজ তারা নির্ভয়ে পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনে বুথে গেছিল ভোট দিতে, কারণ রক্ষক হিসেবে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাহলে কি এটা শাসক দল তথা তৃণমূল সুপ্রিমোর জন্য কোনো অশনির সংকেত ?
