NIA Report Submission
Bengal Liberty, Kolkata :
মালদহের মোথাবাড়িকাণ্ডে তদন্তে বড় অগ্রগতি। ধৃত আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী আকরামুল বাগানিকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত এনআইএর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালত। তদন্তকারী সংস্থার আবেদনে সায় দিয়ে এই নির্দেশ দিল বিশেষ আদালত।

কী নির্দেশ দিল আদালত? Mothabari case
মালদহের কালিয়াচকের মোথাবাড়িতে বিডিও অফিসে বিচারকদের আটকে রাখার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ধৃত আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলামকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল এনআইএ, এবার সেই আবেদনেই সায় দিল কলকাতার নগর দায়রা আদালত। ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী আকরামূল বাগানিকে এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফ থেকে।

এনআইএ আশ্বাস
এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনার পরিকল্পনা, উস্কানি এবং বিশৃঙ্খলা তৈরির পিছনে মোফাক্কেরুল ও আকরামুলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। সেই কারণেই তাঁদের সরাসরি জেরা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি বলে আদালতে জানানো হয়। আদালত সেই যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়েই হেফাজতের নির্দেশ দেয়। তদন্তকারী সংস্থার মতে, এই জেরার মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরও ব্যক্তির নাম সামনে আসতে পারে। ফলে মোথাবাড়িকাণ্ডের তদন্তে এই নির্দেশকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে তাদের তরফ থেকে।
প্রেক্ষাপট
প্রসঙ্গত গত ১ এপ্রিল এসআইআরকে কেন্দ্র করে মালদহের মোথাবাড়িতে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, সেই সময় সাতজন বিচারপতিকে দীর্ঘক্ষণ বিডিও অফিসের ভিতরে আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টের দোরগোড়ায়। এবং পরে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে গোটা ঘটনার তদন্তভার নেয় এনআইএ । কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তদন্ত যাওয়ার পর থেকেই একের পর এক গ্রেপ্তারি এবং মামলার নথিভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় মোট ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১২টি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে এনআইএ-র খাতায়। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য, যা এই ঘটনার গভীরতা এবং পরিকল্পনার মাত্রা আরও স্পষ্ট করে তুলছে বলে মনে করছে তদন্তকারী মহল।
